রাখাইন তরুনী ধর্ষন,ধর্ষক আলআমিন গ্রেফতার।।

মহিপুর প্রতিনিধি।।
মহিপুরে রাখাইন তরুনী ধর্ষণ, ধর্ষক আলআমিন গ্রেফতার কুয়াকাটার মহিপুরের কালাচাঁন পাড়ার পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী (১৫) ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে।

জানাজায় রাখাইন তরুনী (১৫) কে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে যোর পূর্বক প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ করে একই ইউনিয়নের নাইয়োরীপাড়া গ্রামের মন্নার মীরার ছেলে কলেজ পড়ুয়া আল আমিন (২৩)।

১৪ মে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২ টায় ফুসলিয়ে ভিকটিম কে ঘড় থেকে ডেকে নিয়ে যোর পূর্বক নিকটস্থ হানিফ মেম্বারের মাছের আড়দের উপরে বসে
ধর্ষণ করে আল আমিন।

ভিকটিমকে খোঁজাখুঁজির পরে না পাওয়ায় ভিকটিমের মা মহিপুর থানায় মৌখিক ভাবে অভিযোগ করে। এবং তথ্য প্রযুক্তি ব্যাবহারের মাধ্যমে মহিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভিকটিম কে উদ্ধার করে।উদ্ধারের পরে ভিকটিম বাদি হয়ে মহিপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে মহিপুর থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক ভাবে এস আই তারেক মাহামুদে’র নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে ১৫ তারিখ শুক্রবার রাত ১১
টায় মহিপুর থানাধীন আলিপুর থ্রি পয়েন্ট থেকে ধর্ষক আল আমিন (২৩)কে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামিকে শনিবার কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানান আমরা অভিযোগ পাওয়ার সাথে
সাথে আসামি গ্রেফতারে তৎপর হই ফলশ্রুতিতে আসামি গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। ভিকটিম কে ডাক্তারী পরিক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

(ফলোআপ)মোবাইল ফোন কে কেন্দ্র করে নিহত ১ গ্রেফতার ৪।।

জুলহাস স্টাফ রিপোর্টার: বরগুনায় আলোচিত বরগুনার সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের পশুয়া গ্রামে পূর্ব বিরোধের জের ধরে ভাতিজা খোকন সর্দারের উপর্যুপরি আতুড়ের আঘাতে চাচা মজিবর সর্দার(৪৫) নিহত হয়।

পরে মৃত্যু মজিবুর রহমানের পরিবার বরগুনা থানায় সাত জনের নামে একটি মার্ডার মামলা দায়ের ঐ। মামলার
আসামিরা হলেন, ০১। ফরহাদ ০২।খোকন ৩।জাকির ৪।ছত্তার ৫।ছেন্টু ৬।রহিম ৭।ছোবাহান

পরে আসামীদের মধ্যে এক, তিন, চার ও পাঁচ নং আসামিদের পুলিশ গ্রফতার করেন। অজ্ঞাত সহ বাকিরা পলাতক রয়েছে।

মৃত্যু মজিবুর রহমানের মেয়ে বলেন, আমার বাবাকে মেরে ফেলার পর আমরা এখন অসহয় হয়েছি। আমার মা অসুস্থ তাকে কে দেখবাল করবে। আর আমার ছোট একটা ভাই ওর লেখাপড়া খরচ কিভাবে চালাবো। আমাদের যারা এতিম করেছে ষড়যন্ত্র করে যারা আমাদের বাবাকে হত্যা করেছে আমি তাদের ফাসি চাই। সঠিক বিচার চাই।

মজিবুর সরদারের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামীকে যারা হত্যা করেছে আমার ছেলে মেয়েদেরকে যারা এতিম করেছে আমি তাদের,সঠিক বিচার চাই। এখন আমি কিভাবে আমার ছেলে মেয়েদেরকে নিয়ে সংসার চালাবো এবং তাদের লেখাপড়ার খরচ চালাবো।

উল্লেখিত,গত মঙ্গলবার বরগুনার সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের পশুয়া গ্রামে মোবাইল ফোন কে কেন্দ্র করে ভাতিজা খোকন সর্দারের উপর্যুপরি আতুড়ের আঘাতে চাচা মজিবর সর্দার(৪৫) নিহত হয়।

স্হানীয় গ্রামবাসী জানায়,২ মাস পূর্বে মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মজিবর ও খোকনের মধ্য বিরোধ সৃষ্টি হয়। আজ দুপুরে মজিবর বাড়ীর টিউবওয়েলে গোসল করতে গেলে মোবাইল চুরির জের ধরে চাচা ভাতিজার মধ্য কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে খোকন উপর্যুপরি মজিবরের মাথায় আদুড় দিয়ে আঘাত করলে মজিবর জ্ঞান হারায়।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসার পর কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

বরগুনা সদর থানার ওসি আবির মাহমুদ বলেন, থানায় এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। মামলা অন্তর্ভূক্ত আসামীদের মধ্যে ১/৩/৪/৫নং আসামি আমরা গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। বাকিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

বরগুনায় বিয়ের প্রলভোন দেখিয়ে নবম শ্রেনির ছাত্রীকে বার বার ধর্ষন।।

জুলহাস স্টাফ রিপোর্টারঃবরগুনা সদর উপজেলার ৪নং কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের আমরাজুড়ি লোডপোড়া গ্রামে নবম শ্রেনির এক ছাত্রীকে এক বছর ধরে বিয়ের প্রোলভোন দেখিয়ে বার বার ধর্ষন করেন স্থানীয় এক দোকানদার।

শুক্রবার বরগুনা সদর উপজেলার ৪নং কেওড়াবুনিয়া আমরাজুড়ি লোডপোড়া গ্রামে নবম শ্রেনির ছাত্রী ও একই গ্রামের মোঃ সিদ্দিক এর ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলামকে এলাকাবাসি মেয়ের ঘর থেকে বিশ ফুট দূরে একটি পরিত্যাক্ত বাড়ি থেকে অপকর্ম করা অবস্থায় উদ্দার করেন।পরে গন্যামান্য এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বার ওয়ার্ড আওয়ামিলীগ সভাপতির উভয় পক্ষের সমন্নয় সমাধান করেন।

স্থানীয় সূত্রে যানা যায়, মোঃ সিদ্দিক এর ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলাম এর সাথে এক বছর ধরে মেয়ের সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক ‍ছিলো। সাইদুলের দোকান চলাকালিন সবসময়ই মেয়ে আসাযাওয়া করতো। তাদের শারিরীক সম্পর্ক সন্দেহ করেছি কিন্তু কখনো দেখি নাই। তবে শুক্রবার রাত্র নয়টার দিকে এলাকার মানুষ ছেলে মেয়ে দুইজন কেই উলঙ্গ অবস্থায় উদ্দার করেন। তারপর ওখান থেকে স্থানীয় নিজাম উদ্দিন এর বাসায় বসে বিষয়টি মিমাংশা করা হয়।

ভূক্তভূগী মেয়ে বলেন, এক বছর ধরে সাইদুলের সাথে আমার ভালোবাসার সম্পর্ক। তার আগে দুই স্ত্রী ছিলো তাদের সাথে ছাড়াছাড়ির পরে আবার একটা বিয়ে করে এখন এই স্ত্রী নিয়ে সংশার করে।তবে আমাদের সম্পর্কের আগে এইগুলো জানতাম না। যখন জেনেছি তখন এই স্ত্রী কে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ে করবে বলে প্রায়ই আমার সাথে দেখা করার জন্য আসতো আর তখন শারিরীক মেলামেশা করতো আর এটা এক বছর যাবৎ যখন রাতে আসতো তখনই এইগুলো করতো। তবে শুক্রবারের ঘটনার পরে আমি জানতে পারলাম যে আমাকে সাইদুল বিয়ে করবে না। তাই আমি বিচারের জন্য থানায় জানাতে চাইছি কিন্ত আমার মা সহ এলাকাবাসি যেতে দেয়নায়।

মেয়ের মা বলেন, এরকম কোন কিছু হয় নায় তবে সব কিছু মিমাংশা হয়েছে। আর কোন ঝামেলায় জরাতে চাই না।

ছেলের বাবা মুঠো ফোনে বলেন,আমার ছেলে অই মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলতো সেখানে একটা সমস্যা হয় আমারা সেটা চেয়ারম্যানকে নিয়ে সমাধান করেছি
কি সমাধান হয়েছে জানতে চাইলে,ছেলের বাবা বলেন কিছু টাকা দিয়ে এটা চেয়ারম্যান মিট করে দিছে টাকাটা মেয়ের বিয়ের সময় দেওয়া হবে

ইউপি চেয়ারম্যান মুঠো ফোনে বলেন,বিষয়টা কোন জটিল ঘটনা না ছেলে ও মেয়ে ফোনে কথা বলত পরে তারা দেখা করে সেখানে একটু সমস্যা হয় পরে যার যার পথে সে সে চলে যায়। আর্থিক জরিমানার কথা জিজ্ঞেস করলে, আমরা জরিমানা করতে যাব কিসের জন্য টাকার বিষয় আমি কিছু জানিনা

নিখোঁজের ১৫ দিন পর জামালের লাশ উদ্ধার।।

জুলহাস স্টাফ রিপোর্টারঃ নিখোঁজের ১৫ দিন পর বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের খাজুরা নামক এলাকায় খাল থেকে জামাল (২৮) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১০ মে) রাতে বরগুনা থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

বরগুনা সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির হোসেন মোহাম্মদ বলেন, ‘রোজার আগের দিন থেকে জামাল নিঁখোজ ছিলেন। এ ব্যাপারে তার ভাই কামাল বরগুনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন।’

ওসি বলেন, ‘স্থানীয় এক ব্যক্তি খালে মাছ ধরতে গিয়ে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে নিখোঁজ জামালের স্বজনদের খবর দেয়। স্বজনরা এসে জামালের লাশ শনাক্ত করে।’

জামালের ভাই কামাল জানান, ‘জামাল বরইতলা-বাইনচটকি ঘাটে খেয়া পাড়াপাড়ের কাজ করতেন। রোজার একদিন আগে রুবেল নামে একজন জামালকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর আর সে বাসায় ফেরেননি। দু’দিনেও খোঁজ না পাওয়ায় বরগুনা থানায় ডায়েরি করা হয়। ব্যক্তিগত বিরোধে রুবেল ও তার সহযোগীরা জামালকে হত্যা করেছে।’

বরগুনা সদর সার্কেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান বলেন, ‘এ বিষয়ে তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।’

বরগুনায় মেয়েকে গাছের সাথে বেঁধে রেখে মাকে গণধর্ষণ।।

জুলহাস স্টাফ রিপোর্টার

বরগুনায় ৭ বছরের কন্যা সন্তানকে গাছের সাথে বেধে মেয়েকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে মাকে গনধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) গৃহবধূ তার কন্যা সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি পিরোজপুর জেলাদিন মঠবাড়িয়া উপজেলার শাপলেজা গ্রাম থেকে পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর গ্রামে খালাবাড়ি রওনা দেয়। শশুর বাড়ি থেকে পাথরঘাটা খেয়া পাড়হয়ে তালতলী শুভসন্ধ্যা ঘাটে পৌছায়। সেখান থেকে ভাড়ায় চলিত মোটরসাইকেল নিশানবাড়িয়া খেয়াঘাটে রওনা করে। মোটরসাইকেল ড্রাইভার তাদেরকে নিয়ে নির্জন জঙ্গলে দিকে যায়। সেখানে নিয়ে এলাকার কয়েকজন বকাটে মিলে সন্তানকে গাছের সাথে বেঁধে রেখে মাকে গণধর্ষণ করে।

গৃহবধূ জানায় সকাল ৮ টার দিকে শশুর বাড়ি থেকে রওনা দিয়ে পাথরঘাটা পৌছায়। পাথরঘাটা থেকে নৌকা পাড়হয়ে তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের শুভসন্ধ্যা ঘাটে নামি। তারপর এক মোটরসাইকেল ড্রাইভারের সাথে নিশানবাড়ীয়া খেয়াঘাট যাওয়ার চুক্তি করি। মোটরসাইকেল ড্রাইভার আমাকে নিশানবাড়ীয়া খেয়াঘাট না নিয়ে বাগানের দিকে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তার সঙ্গীয় আরেক মোটরসাইকেল ড্রাইভার ও তার সঙ্গে থাকা আরও পাঁচজন লোক মোবাইলে ডেকে আমার মেয়েকে গাছের সাথে ওড়না দিয়ে বেঁধে গলায় ছোরা ধরে। মেয়েকে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। তিনি আরও বলেন, তারা আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। আমার জ্ঞান ফেরার পরে ওই জায়গা থেকে একবাড়িতে এসে একটু পানি খেতে চাইলে গ্রামবাসী কেউ আমাকে একটু পানি পর্যন্ত দেয়নি। তারপর ওই এলাকার কয়েকজন লোক পাশেই ট্রলার মেরামত করতেছিল তারা আমাকে একটি মোটরসাইকেল ভাড়া করে দেয় আমি আমার খালা বাড়ি চলে আসি। আমার মামলা করার মত তেমন কোন টাকা পয়সা নেই তাই আমি থানায় মামলা করতে যাইনি। আপনারা সাংবাদিক আমি আপনাদের মাধ্যমে আইনের হাতে ঘটনার কঠোর বিচার চাই।

এঘটনায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সেলিম, দুলাল হোসেন, লিটন মোটরসাইকেল ড্রাইভার হাবিব, চা দোকানদার কবির সাংবাদিকদের জানান, আমরা শুনেছি যে একজন মহিলা তার মেয়েকে নিয়ে শুভ সন্ধ্যা থেকে নিশানবাড়িয়া খেয়াঘাট যাবে, কিন্তু মোটরসাইকেল ড্রাইভার জহিরুল নিশানবাড়ীয়া না-নিয়ে শুভ সন্ধ্যার গভীর জঙ্গলে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে, শুনেছি জহিরুলের সঙ্গে আছিল এমাদুল, সোহাগ, নজরুল, সাইদুল।

এব্যাপারে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ভিক্টিম নিজেই থানায় এসেছে , ভিক্টিমের জবানবন্দি নিয়েছি এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বিধবা ধর্ষন মামলায় সেই প্রতাপশালী স্কুল মাষ্টার আটক।।

জিহাদুল ইসলাম চরফ্যাশন প্রতিনিধি।।

চরফ্যাসনে বিয়ের প্রলোভনে বিধবা ভাবীকে ধর্ষণের অভিযোগে কামরুল ইসলাম নামের এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে ভুক্তভুগী নারী বাদি হয়ে দেবরকে আসামী করে চরফ্যাসন থানায় মামলটি দায়ের করেন। চরফ্যাসন থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক(এএসআই) হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশ ওই  রাতেই ধর্ষক স্কুল শিক্ষক কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে  শনিবার আদালতে সোপর্দ করেছেন।

ধর্ষক কামরুল ইসলাম ওমরাবাজ নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। সে জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাদশা মিয়ার ছেলে।অনেকের কাছে কামরুল ইসলাম আওয়ামীলীগ এর দুর্নীতিবাজ নেতা হিসেবেই পরিচিত।

ভুক্তভুগী নারী এজাহারে দাবি করেন, গত ১৮ এপ্রিল রাতে ভিক্টিম নারীর বসত ঘরে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।তিনি ও দেবর কমরুল একই বাড়িতে বসবাস করেন। তার স্বামী সাড়ে ৩ বছর পূর্বে মারা যান। স্বামী ও দেবর কামরুল ইসলাম একত্রে ধান ও চাউলের যৌথ ব্যবসা করতেন। ওই ব্যবসায় স্বামীর ৭ লাখ টাকা মূলধন ছিল। স্বামী মারা যাওয়ার পর দেবর কামরুল ইসলাম ওই টাকা দিয়ে দুইজনের যৌথ ব্যবসা পরিচালনা করতেন। এসময়ে দেবর কমরুল ইসলাম তাকে বিভিন্ন সময়ে অবৈধ সস্পর্কের কু- প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে ভিক্টিম নারী রাজি না হলে যৌথ ব্যবসার অংশিদারী স্বামীর টাকা দিবেনা বলে হুমকি দেন । পরে ছেলে মেয়েদের ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়ার প্রতিশ্রতি দিয়ে বিয়ের আশ্বাসে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। গত ১৮ এপ্রিল রাতে তার ঘরে প্রবেশ করে জোর পুর্বক তাকে ধর্ষণ করে। শুক্রবার দেবর কামরুলকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে নানান অজুহাতে তালবাহানা শুরু করে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন। দেবর কামরুল ইসলামের সাথে তার মৃত স্বামীর যৌথ ব্যবসার টাকা আত্মসাতের হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে ধর্ষক দেবর কামরুল ইসলামকে আসামী করে চরফ্যাসন থানায়  ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

চরফ্যাসন থানার ওসি মো. শামসুল আরেফিন জানান, এঘটনায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।  কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে শনিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে ।
মামলা প্রসঙ্গে কামরুল মাস্টার দাবী করেন ঘটনাটি মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলক।

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেফতার।।

জুলহাস স্টাফ রিপোর্টার: বরগুনার বামনা উপজেলার মধ্য আমতলী গ্রামে সাড়ে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। অভিযুক্ত ধর্ষক মোঃ বেল্লাল(২৪)কে গ্রেফতার করেছে বামনা থানা পুলিশ।

শিশুটির মা কহিনুর বেগম জানান, পাশের বাড়ীর সাহেব গাজীর ছেলে মোঃ বেল্লাল গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আমার মেয়েকে তাদের বাড়ীতে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করে। আমি মেয়েকে বাড়ীতে দেখতে না পেয়ে বাহিরে গিয়ে মেয়ের কান্না শুনতে পেয়ে আমি সাহেব আলীর ঘওে গেলে বেল্লাল দৌড়ে পালিয়ে যায় এবং আমার শিশুটিকে অসুস্থ অবস্থায় পেয়ে তাৎক্ষনিক বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। হাসপাতালের কর্তৃব্যরত চিকিৎসক মোঃ মহিউদ্দিন জানান শিশুটি ধর্ষনের শিকার হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনুইচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান বেল্লাল মাদক ক্রয় ও বিক্রয়ের সাথে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে।
বামনা থানার অফিসার ইন-চার্জ এসএম মাসুদুজ্জামান জানান, আমি অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠিয়ে আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই এবং আসামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

চাতাল কল শ্রমিকের ৯বছরের কন্যা শিশুকে ধর্ষণ করে ফেলে পালিয়ে গেছে পাষন্ডরা।

আমাদের কুয়াকাটা ডেস্ক।।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের সোনারামপুরে এক চাতাল কল শ্রমিকের ৯বছরের কন্যা শিশুকে ধর্ষণ করে ফেলে পালিয়ে গেছে পাষন্ডরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় আশুগঞ্জ থানায় হাজির হয় তার মা। শিশুটির গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে, তার পরিবার আশুগঞ্জে একটি চাতালকলে শ্রমিক হওয়ায় সেখানেই বসবাস করেন।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত লিটন মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে। সে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্ট্রগ্রাম উপজেলার ইমান মিয়ার ছেলে ও আশুগঞ্জে একটি চাতাল কলে কাজ করেন।

ওই শিশুর পরিবারের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে জানায়, বিকেলে শিশুটি চাতাল কলের ভেতরে খেলা করছিল।

এর কিছুক্ষণ পর শিশুটির বড় ভাইয়ের বন্ধু আরেক চাতাল কলের শ্রমিক লিটন সেখানে আসে। এসময় শিশুটিকে ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে ধান ক্ষেতে ধর্ষণ করে ফেলে দিয়ে যায়। সন্ধ্যায় ওই শিশুর এক সহপাঠী তার পরিবারকে এসে জানায় শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় ধান ক্ষেতে পড়ে আছে। এ খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর খবর পাওয়া যায় অভিযুক্ত লিটন থানার সামনে দিয়ে ঘুরাঘুরি করছে। পুলিশকে জানালে লিটনকে আটক করা হয়।

আশুগঞ্জ-সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাসুদ রানা জানান, অভিযুক্ত যুবককে শিশুটি শনাক্ত করার পর আটক করা হয়েছে। শিশুটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

২৫০শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ। তার বিশেষ অঙ্গ দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা জরুরি ভিত্তিতে গাইনি কনসালটেন্ট কল করে চিকিৎসা সেবা শুরু করেছি। এমনকি শিশুটিকে ঢাকায় প্রেরণ করা হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শিশুটির সাথে যে ঘটনাটি ঘটেছে, তা খুবই ন্যাক্কারজনক। আমরা এই ঘটনায় নিন্দা জানাই।

বরগুনার তালতলীতে ত্রান দিতে ঢেকে ধর্ষণের অভিযোগ।।

জুলহাস স্টাফ রিপোর্টার:
বরগুনার তালতলীতে করোনা ভাইরাসের কারণে বেকার হয়ে খাদ্য সংঙ্কটে পড়ে একটি দিনমজুর পরিবার। ঐ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার নাম তালিকাভুক্তি করার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার খান দিনমজুর সোবাহানের মেয়েকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া যায়।


ভুক্তভোগি পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়ের পূর্ব বাদুরগাছা এলাকার করোনা ভাইরাসের কারনে দিনমজুর সোবাহান কোনো কাজকর্ম না করতে পেরে বেকার হয়ে পড়ে তার পরিবারটি। এর জন্য তার পরিবার খাদ্য সংঙ্কটে পড়ে। বিষয়েটি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে গত ৬ এপ্রিল সোমবার জানালে তিনি তাদের নাম সরকারী সহায়তার তালিকাভুক্ত করার জন্য ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামীগের সভাপতি আনোয়ার খানে কাছে যায় সোবাহান। তিনি সেই সময় তার মেয়েকে ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে আসতে বলেন। পরেদিন ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে ঐ দিনমজুর সোবাহানের বিবাহিত মেয়ে ইউপি সদস্যর বাড়িতে গেলে এই সুযোগে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ঐ মেয়ের স্বামী ইসরাফিল ইউপি সদস্যর বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি দেখে ফেলে। এই ঘটনা কাউকে বললে খুন করার হুমকি দেওয়া হয়।পরে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ভুক্তভোগি দিনমজুর পরিবারকে থানায় মামলা করলে এলাকা ছাড়ার হুমকি দেওয়া হয়।পরের দিন স্বামীকে তুলে নিয়ে যায় ইউপি সদস্য। আজ ৮ এপ্রিল বুধবার পর্যন্ত স্বামী ইসরাফিলের কোনো খোজখবর পাওয়া যায়নি আর ঐ দিনমজুর পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন বলেন জানান তারা। এদিকে ইউপি সদস্যর এমন কর্মকাণ্ডে হতবাক এলাকাবাসী। বিচারের দাবি করেন স্থানীয় সচেতন মহল।


অভিযুক্ত আনোয়ার খান তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি।
বাবা সোবাহান বলেন আমি দিনমজুরের কাজ করি। এই করোনা ভাইরাসের কারনে আমি অসহায় দিনযাপন করছি। এর ভিতরে আমার মেয়ে তার স্বামী ইসরাফিল কে নিয়ে বেড়াতে আসেন বাড়িতে। এর ভিতরে আমার সংসার চালাতে খুব কষ্ট হয়। স্থানীয় মেম্বার আনোয়ার খানের কাছে গেলে সে আমার মেয়েকে তার ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে তার বাড়িতে যেতে বলেন। পরে বিকেলের দিকে তার বাড়িতে আমার মেয়ে গেলে বাড়িতে কেউ না থাকায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এই ঘটনায় মামলা করলে এলাকা ছাড়ার হুমকি দেন তিনি।


এবিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আনোয়ার খান বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। এগুলো সব মিথ্যা। এই মেয়ে যাকে স্বামী হিসেবে পরিচয় দেয় সে আসল স্বামী না। তাকে তুলে আনা হয়নি বরং ছেলের পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আবুল বাশার বাদশা তালুকদার বলেন, নিউজ করার দরকার নেই আপনাদের সাথে যোগাযোগ করা হবে। তালতলী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, এবিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে খোজখবর নিয়ে দেখছি এখনি। আর অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম মিঞা বলেন,খাদ্য সহায়তা দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণ বিষয়টি খুব দুঃখজনক। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে আমতলীর ওসি।।

আমতলী প্রতিনিধিঃ
আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রীর রুমে আসামীর লাশ উদ্ধােরর চাঞ্চল্যকর ঘটনার মূল কারন সামনে এনেছে নিহতের স্বজনরা। আজ (৩১ মার্চ) মঙ্গলবার সকালে বরগুনা প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে আসামীর কক্ষে পিটিয়ে শানু হাওলাদারকে খুন করেন দুই ওসি ও তার সহযোগীরা বলে দাবী করা হয়।

আর এই হত্যাকান্ডের নেপথ্যে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরােধ ও পূর্বের দুটি হত্যাকান্ডের রেশ জড়িত।

লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন নিহতের পুত্র নাসির উদ্দিন শাওন। তিনি দাবী করেন জানান, শানু হাওলাদারের বোনের সাথে চাচাদের জমি সংক্রান্ত পরিবারিক কলহ চলে আসছিল। তারই সূত্র ধরে ১৯৭৪ সালে তাদের দাদা হযরত আলী ও ২০০৩ সালে তাদের ফুপু আলেয়া বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সেই দুটি মামলাও বর্তমানে তদন্তানাধীন। মামলা তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন।

সম্প্রতি সেই চাচাদের সাথে বিরোধে জড়ায় শানু হাওলাদার। তার চাচারা আমতলী থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে পরিকল্পতিভাবে থানায় আটকে তার পিতাকে হত্যা করান।

নিহতের পুত্র বলেন, আমতলীর ওসি আবুল বাশার ২৩ মার্চ রাত সাড়ে ১০ টায় শানু হাওলাদারকে বড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসে। বাড়ি থেকে আনার সময়ই মারতে মারতে গাড়িতে তোলে।

থানায় নেয়ার পরে ৩ লাখ টাকা ঘুষ দাবী করেন। দাবীকৃত টাকা না দিলে মেরে পঙ্গু করে দেওয়া হবে বলে আমাদের সবার সামনেই হুমকি দেন।

ওসি আবুল বাশার প্রকাশ্যে বলেন, যদি ঘুষ না দেই তাহলে সে আমার বাবকে খুন , ডাকাতি, মাদক, অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে দিবে।

ওসির ভয়ে আমরা ধার করে ১০ হাজার টাকা নিয়ে ওই রাতেই ওসি আবুল বাশারের কাছে দিয়া আসি।

কিন্তু তার চাহিদা ৩ লাখ টাকা না পাওয়ায় প্রথমে ওসি আবুল বাশারের কক্ষে, পরে ওসি তদন্ত মনোরঞ্জন মিস্ত্রীর কক্ষে নির্মম নির্যাতন করেন।

নির্যাতন করতে করতে আমার বাবার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। শেষে গল্প সাজানোর জন্য ওসি তদন্তের কক্ষে আমার বাবাকে গলায় রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। আমার বাবাকে থানায় নেওয়ার দুইদিন অনেক চেষ্টা করেছি তার সাথে দেখা করেত। কিন্তু পুলিশ থানায়ই ঢুকতে দেয়নি।

তারা পরিকল্পিতভাবে আমার বাবাকে খুন করেছে। নাসির উদ্দিন শাওন দাবী করেন, আমাদের প্রতিপক্ষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ খেয়ে আমার বাবাকে দুই ওসি মিলে খুন করেছে। যার প্রমান, যখন আব্বাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় তখন ডাক্তার জানিয়েছেন আমার আব্বার শরীরে নির্যাতনের অসংখ্য দাগ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে শানু হত্যার বিচার দাবী করেন নিহতের স্বজনরা।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন নিহতের পুত্র সাকিবুল ইসলাম, মোঃ সিফত ও স্ত্রী ঝর্না বেগম।