1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪

কলাপাড়ায় এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আরেক ব্যবসায়ীর প্রতারণার অভিযোগ।

  • আপডেট সময় রবিবার, ২ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৯ বার

কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ
কলাপাড়ায় এক কাঠ ব্যবসায়ীর সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে আরেক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। ধানখালী ইউনিয়নের ধানখালী গ্রামের ভুক্তভোগী এ ব্যবসায়ী বর্তমানে তার পাওনা টাকা ফেরৎ পেতে হন্নে হয়ে ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ইউনুস খাঁন ক্ষোভ, কষ্ট ও বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে এ প্রতিনিধিকে বলেন, নির্মানাধীন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থানীয় ঠিকাদার একই এলাকার দেলোয়ার সরদার ৭ মাস আগে শ্রমিকদের চৌকি তৈরির জন্য আমার সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। সেই সময়ে দেলোয়ার ১৫০০ চৌকির চুক্তি করে ১,০০০ চৌকি নিয়ে যান এবং কিছু টাকা বাকি রাখেন। পরবর্তীতে চুক্তি অনুযায়ী অর্ডারকৃত ৫০০ চৌকি তিনি আর নেননি। এতে আমি দিশেহারা হয়ে পড়ি। বর্তমানে আমার সমস্ত কাঠ নষ্ট হয়ে গেছে। বিভিন্ন সময়ে দেলোয়ার ওয়াদা করে চৌকি নেয়ার কথা বলে এখন আর খোঁজ নিচ্ছেনা। এতে আমার ব্যবসার মূলধন প্রতারণার খপ্পরে পড়ে বিনষ্ট হয়ে গেছে। যার ক্ষতির মূল্য প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা। আমি এর বিচার চাই এবং আমার পাওনা টাকা ফেরৎ চাই। এনিয়ে ধানখালী সোমবাড়িয়া বাজার কমিটির সভাপতি অনুপ গাজী এ প্রতিবেদককে জানান, ইউনুস আমাকে জানানোর পর নিজ চোখে গিয়ে দেখেছি ঘটনার সত্যতা রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী কাঠগুলো এমনভাবে কাটা হয়েছে যা অন্য কোন কাজে ব্যবহার করার সুযোগ নেই। এবিষয়ে অভিযুক্ত দেলোয়ার সরদার সাংবাদিকদের জানায়, আমার সাথে যে চুক্তি ছিলো সেই অনুযায়ী আমি চৌকি নিয়েছি। অতিরিক্তি কোন অর্ডার আমি করিনি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জসিম গনমাধ্যমকে বলেন, এবিষয়ে আমরা কোন অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে আইন
অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
###

তাং: ০২.০১.২০২২ ইং:।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর

পটুয়াখালী অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান পুড়ে ছাই। পটুয়াখালী প্রতিনিধি।। পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন জানান, সোমবার রাত ৩টার পরে হঠাৎ করে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ এলাকা থেকে অগ্নিকাণ্ডের খবর আসে। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে খাদিজার চায়ের দোকান, হানিফ মিয়ার গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান, মালেক মিয়ার মুদি দোকান ও জাহাঙ্গীর নামের একজনের দোকান পুড়ে যায়। অগ্নি কান্ডে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেনি পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস।

© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas