1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪

আত্রাইয়ে আলোচিত রফিক হাজীকে হত্যা করে সুমন বাহিনী।

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৩১ বার

মোঃ শিফাত মাহমুদ ফাহিম,বিশেষ প্রতিনিধি:

নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় কিছুতেই যেনো থামছে না হত্যা খুনসহ সাধারণ মানুষদের উপর নির্যাতন নিপীড়ন।চলাম ২০২০ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১০/১২ জন হয় হত্যা সহ অপমৃত্যুর শিকার।

গত ১০।১০।২০২০ইং রোজ শুক্রবার বাদ এশার নামাজ পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া রফিকুল হাজী হত্যা রহস্য উন্মোচনের পথে বলে, জানিয়েছে প্রশাসনের এক কর্মকর্তা।তিনি বলেন হত্যার মূল কারণ টাকা ধার দেওয়াকে কেন্দ্র মূলত পরিকল্পনাকারী মেঃ সুমন হোসেন (৩০),পিতা আকতার হোসেন,সাং খোলাপাড়া
থানা আত্রাই,জেলা নওগাঁ।

হত্যার শিকার ঐ ব্যক্তি কাছ থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলো প্রায় ২ বছর আগে।ধারের টাকা গুলো যেনো ফেরৎ দিতে না হয় এই কারণেই হত্যা করা হয় তাকে।আর হত্যার সহযোগী হিসাবে ছিলো তার দোকানের কর্মচারীসহ বাহিরে ২/৩ জন।

পরিকল্পিত হত্যা মিশনে পুরো সহযোগীতা করে তার দোকানের কর্মচারী ও ভাড়াটিয়ে সন্ত্রস্ত্রীরা।হত্যার সূত্র প্রথমে সুমনের মোবাইল থেকে কল দিয়ে ঐ ব্যক্তিকে পাওনা টাকা দেবার কথা বলে বাদ এশার নামাজ শেষে মসজিদের পাশ থেকে ডেকে নিয়ে আসে।পরবর্তীতে তারা দোকানের ভিতর তুলে দোকানের সার্টার বন্ধ করে পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ী কয়েকজন দ্রুত মুখে কসষ্টেপ মারে ও তার ওপর মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে ফেলে যেনো চিৎকার না করতে পারে।সেই সাথে দ্রুত হাত-পা ও বেঁধে ফেলে সুমনের ভাড়াটিয়ে সন্ত্রাসীরা।

পরবর্তীতে তাদের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ঘটিয়ে লাশ জুতার বড় একটি বস্তায় তুলে কিছু সময় দোকানে রাখে, লোকজনের চলাচল কমে গেলে আনুমানিক রাত্রি ১১ টার সময় তারা লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়।লাশ ভাসিয়ে দিয়ে আসার পথে প্রশাসনের টহলরত্ব লোকজনদের সাথে দেখা হয়।তখন তাদের প্রশাসনের টহলরত্ব লোকজন জিজ্ঞেস করে এতো রাতে কি করো?

তখন হত্যাকারীরা বলে স্যার দোকানের মালপত্র গুছগাছ করলাম এই বলে দ্রুত চলে যে, যার অবস্থানে চলে যায়।পরবর্তীতে দু-দিন গত হওয়ার পরও নিখোঁজ ব্যক্তি বাসায় ফিরে না আসায় প্রশাসন ও ঘটনার রহস্য উন্মোচন করতে মাঠে নামে। সূত্রধরে ধরে প্রশাসন মিশন শুরু করে প্রথমেই হত্যার শিকার ব্যক্তির মোবাইল ফোনের কললিষ্ট বের করে প্রশাসন জানতে পারে শেষ কল সুমনের নাম্বার থেকে ঐ ব্যক্তির মোবাইলে আসে।কলের সূত্র ধরে প্রশাসন সুমনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসলে সুমন হত্যা ঘটনার সকল সত্যতা স্বীকার করে সুমন।এবং তার এই হত্যা মিশনে কারা তাকে সহযোগীতা করেছিলো সবকিছু স্বীকার করেছে বলেও জানান প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা।

স্বীকারোক্তি নেওয়া শেষ আজ ১২।১০।২০২০ইং রোজ সোমবার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas