1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪

কালের বিবর্তনে ঝালকাঠিতে হারিয়ে গেছে মিষ্টি রশের খেজুর গাছ

  • আপডেট সময় রবিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৬৭ বার

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

কালের বিবর্তনে ঝালকাঠি হারিয়ে গেছে খেজুর গাছ।
ঝালকাঠি জেলার নলছিটি, রাজাপুর, কাঠালিয়া উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় সব বসতভিটাতেই দুই-চার/দশ – বিশ’টি করে খেজুরগাছ দেখা যেত। কালের বিবর্তনে এসব অঞ্চল থেকে খেজুরগাছ হারিয়ে গেছে। আগের মতাে সকাল-বিকাল খেজুর রসে শীত পিঠার উৎসব তেমন আর হয় না। গাছিরাও আগের মতাে সংগ্রহ করেন না খেজুর রস।

এলাকার প্রবীণরা জানান, ৩০/৩৫ বছর পূর্বে এসব অঞ্চলে অসংখ্য খেজুরগাছ ছিল। গাছিরা যখন সকালে খেজুর রস সংগ্রহ করে সিদ্ধ করতে নিয়ে আসত তখন এলাকার লােকজন রসের জন্য কলসি নিয়ে ভিড় জমাত। ইটভাটা এবং ইটপাজা’য় ব্যবহার করার কারণে খেজুরগাছ নিধন হয়ে গেছে। এছাড়া বাণিজ্যিকভাবে এলাকায় খেজুরগাছ রােপণ করা হয় না।

এলাকায় কিছু গ্রামাঞ্চলে রাস্তার আশপাশে খেজুরগাছ দেখা গেলেও রস আহরণে গাছি নেই। আগের মতো রস আর কেউ সংগ্রহ করে না। যে কারণে খেজুর রস এলাকায় পাওয়া যায় না। একটি পূর্ণবয়স্ক খেজুরগাছ দৈনিক তিন-পাঁচ কেজি পরিমাণ রস দেয়। এ রসে আমিষ, শ্বেতসার, চর্বি, খনিজ লবণসহ অনেক পুষ্টিকর উপাদান আছে। যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

কৃষি তথ্য মতে খেজুরগাছ বহুবর্ষজীবী গাছ হওয়ার কারণে মানুষের আগ্রহ কমে গেছে। এলাকায় খেজুরগাছ লাগানাের জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা উচিত বলে মনে করেন এলাকার সচেতন জনগণ।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর

পটুয়াখালী অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান পুড়ে ছাই। পটুয়াখালী প্রতিনিধি।। পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন জানান, সোমবার রাত ৩টার পরে হঠাৎ করে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ এলাকা থেকে অগ্নিকাণ্ডের খবর আসে। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে খাদিজার চায়ের দোকান, হানিফ মিয়ার গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান, মালেক মিয়ার মুদি দোকান ও জাহাঙ্গীর নামের একজনের দোকান পুড়ে যায়। অগ্নি কান্ডে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেনি পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস।

© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas