1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। 14 on the internet this is net that’ll end up being same such as best online this is certainly the same webpages Ways About how to Give Legit Get together Web sites Originating from Unlawful Web site God is definitely merciful and grateful to receive him or her, when for once they go back along with the cardio so you’re able to Your Filipino scam that is definitely cupid time a couple of a few ideas include regular very well and excellent, Since matchmakers, we see the gay subscribers by way of each of the some stages of relationships techniques You can expect to this new gay men community out-of discover matchmaking actually change relationship as we know they? AllMale , a well-known 100 % free homosexual dating site, supports boy-to-son contacts 65 Give an explanation for Day Worth of Currency and you may Calculate Establish and you will Future Beliefs out-of Lump Amounts and you may Annuities ‘nice a drive?’: Folks reveal the reason why and exactly how they normally use Tinder “Exact same Like” – A song to have Relationship Equality

শেখ হাসিনার লড়াকু জীবনঃ ছাত্রনেত্রী থেকে ৪ বারের প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৮৭ বার

বিশেষ প্রতিনিধিঃ রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া শেখ হাসিনা কৈশোর থেকেই পাকিস্তানি শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। লড়াকু জীবনে বার বার মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়া থেকে শুরু করে কারাবরণ, বাবা-মা সবাইকে হারানোসহ জীবনের বাঁকে বাঁকে চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে নানা ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে ছাত্রনেত্রী থেকে চারবারের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন শেখ হাসিনা।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মধুমতি নদীবিধৌত গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের জন্মগ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। তার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির পিতা এবং তার মা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ‘বঙ্গমাতা’ হিসেবে পরিচিত। তার পরিবারে পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় শেখ হাসিনা। গ্রামবাংলার ধুলোমাটি, সবুজ কোমল প্রকৃতি আর সাধারণ মানুষের সঙ্গে বেড়ে ওঠেন তিনি।

শৈশবে শেখ হাসিনার শিক্ষা জীবন শুরু হয় টুঙ্গিপাড়ার একটি পাঠশালায়।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হওয়ার পর সাত বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় আসেন শেখ হাসিনা।পুরান ঢাকার মোগলটুলির রজনী বোস লেনে বসবাস শুরু করেন তারা।

১৯৫৬ সালে টিকাটুলির নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি হন শেখ হাসিনা।

১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বর রোডের বাড়িতে বসবাস শুরু করেন জাতির পিতার পরিবার।

১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাস করেন শেখ হাসিনা।

১৯৬৭ সালে ঢাকার বকশী বাজারের পূর্বতন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন তিনি। এ কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভানেত্রী (ভিপি) পদে নির্বাচিত হন। তিনি এ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পরের বছর সভাপতি ছিলেন।

একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একজন সদস্য এবং ছাত্রলীগের রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় শেখ হাসিনার।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কাল রাতে পাকহানাদার বাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের পর পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে গৃহবন্দি থাকেন শেখ হাসিনা।

গৃহবন্দি অবস্থায় ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই প্রথম সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় জন্মগ্রহণ করেন।

বিজয়ের পর ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে গৃহবন্দি দশা থেকে মুক্ত হন শেখ হাসিনা।

১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন শেখ হাসিনার দ্বিতীয় সন্তান সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।

১৯৭৩ সালে শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বিপদগামী সেনাদের হাতে সপরিবারে নির্মম ভাবে নিহত হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। একইদিনে বাবা-মা, তিন ভাই, দুই ভাইয়ের স্ত্রীসহ সবাইকে হারিয়ে এতিম হয়ে যান শেখ হাসিনা। সৌভাগ্যক্রমে দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে— শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত তৎকালীন সরকার দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করায় বাধ্য হয়ে নির্বাসনে থাকতে হয় শেখ হাসিনাকে। ছয় বছরের নির্বাসিত জীবনে নাম-পরিচয় গোপন করে উদ্বাস্তুর মতো পালিয়ে ছিলেন বিদেশের মাটিতে।

দলের চরম দুর্দিনে ১৯৮১ সালে দেশে না থেকেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা এবং ওই বছর ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন তিনি।

১৯৮১ সালে দেশে ফিরে তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই শুরু করেন।

১৯৮৩ সালে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য গণতন্ত্রপন্থি ১৫ প্রগতিশীল দল নিয়ে জোট গঠন করেন এবং আন্দোলন শুরু করেন।

১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন সামরিক সরকার তাকে আটক করে ১৫ দিন অন্তরীণ রাখে।

১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি এবং নভেম্বর মাসে তাকে দু’বার গৃহবন্দি করা হয়।

১৯৮৫ সালের ২ মার্চ তাকে আটক করে প্রায় ৩ মাস গৃহবন্দি করে রাখা হয়।

১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে তিনি ১৫ দিন গৃহবন্দি ছিলেন।

১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে শেখ হাসিনা ৩টি সংসদীয় আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।   তার অধীনে থাকা জোট ৯৭ আসনে বিজয়ী হয়। তিনি বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৭ সালের জুলাই মাসে সেনা সদস্যদের স্থানীয় প্রশাসনে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একটি বিল পাস করতে তোড়জোড় শুরু করে এরশাদের সামরিক সরকার। এসময় বিরোধী দলে থাকা শেখ হাসিনা পার্লামেন্ট থেকে ‘ওয়াক আউট’ করেন এবং এ বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন এবং এরশাদের সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে সংসদ সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দেন।

১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালনকালে তাকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে পুলিশ। এতে যুবলীগ নেতা নূর হোসেন, বাবুল ও ফাত্তাহ নিহত হন। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তাকেসহ তার গাড়ি ক্রেন দিয়ে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

১৯৮৭ সালে ১১ নভেম্বর তাকে গ্রেফতার করে এক মাস অন্তরীণ রাখা হয়।

১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম আদালত ভবনের সামনে শেখ হাসিনাকে লক্ষ করে এরশাদ সরকারের পুলিশ বাহিনী লাঠিপেটা করে ও গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় শেখ হাসিনা অক্ষত থাকলেও ৩০ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী শহীদ হন। লালদীঘি ময়দানে ভাষণদানকালে তাকে লক্ষ্য করে দু’বার গুলি ছোড়া হয়। জনসভা শেষে ফেরার পথে আবারও তার গাড়ি লক্ষ করে গুলি ছোড়া হয়।

১৯৮৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনা গ্রেফতার হয়ে গৃহবন্দি হন।

১৯৯০ সালে ৮ দলীয় জোট নিয়ে জোরালো রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু হয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। সেখানে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি অন্য দলও অংশ নেয়।

১৯৯০ সালে ২৭ নভেম্বর শেখ হাসিনাকে বঙ্গবন্ধু ভবনে অন্তরীণ করা হয়।

৬ ডিসেম্বর জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৯১ সালে এরশাদের সামরিক শাসনের পতনের পর পঞ্চম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৭ ফেব্রুয়ারি সেখানে ৮৮ আসনে বিজয়ী হয় আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিরোধী দল হিসেবে সংসদে যায় আওয়ামী লীগ।

১৯৯১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের উপ-নির্বাচন চলাকালে তাকে লক্ষ করে গুলি ছোড়া হয়।

১৯৯৪ সালে পার্লামেন্টারি বাই-ইলেকশনের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সরকার বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন শেখ হাসিনা। এসময় তার নেতৃত্বে বিরোধী দল সংসদ ত্যাগ করে এবং ডিসেম্বরে সংসদ সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।

১৯৯৪ সালে ঈশ্বরদী রেল স্টেশনে তার কামরা লক্ষ করে অবিরাম গুলিবর্ষণ করা হয়।

১৯৯৫ সালে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও জোটে থাকা রাজনৈতিক দলগুলো।

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জাতীয় নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেয় আওয়ামী লীগ। তাদের জোটে থাকা অন্য দলও এ নির্বাচন বয়কট করে। তীব্র আন্দোলন চলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে। এর ফলে তৎকালীন সরকার বাধ্য হয় সংসদে এ বিল পাস করতে। তিন মাসের মধ্যে ওই সংসদ বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১২ জুন অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৪৬ আসনে বিজয়ী হয়।

১৯৯৬ সালের ২৩ জুন দেশের দশম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। একই বছর নভেম্বরে দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত গঙ্গা-পদ্মা নদীর ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি করেন তিনি।

১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জনসংহতি সমিতি নামে এক সশস্ত্র দলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি হয়। এর মাধ্যমে কয়েক দশক ধরে চলমান চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের উত্তেজনা প্রশমন হয়।

২০০০ সালে কোটালীপাড়ায় হেলিপ্যাডে এবং শেখ হাসিনার জনসভাস্থলে ৭৬ কেজি ও ৮৪ কেজি ওজনের দু’টি বোমা পুঁতে রাখা হয়। শেখ হাসিনা পৌঁছানোর আগেই বোমাগুলো শনাক্ত হওয়ায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

২০০১ সালে ১ অক্টোবর অষ্টম জাতীয় নির্বাচনে ৬২ আসনে বিজয়ী হয়ে তৃতীয়বারের মত সংসদে বিরোধী দল গঠন করে আওয়ামী লীগ।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলা এবং গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। লোমহর্ষক সেই হামলায় শেখ হাসিনা প্রাণে রক্ষা পেলেও আইভি রহমানসহ তার দলের ২২ নেতাকর্মী নিহত হন এবং পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হন। শেখ হাসিনা নিজেও কানে আঘাত পান।

২০০৫ সালে ১৪ দলের সমন্বয়ে পরবর্তী নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করার জন্য নির্বাচন ব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য কার্যক্রম শুরু করেন শেখ হাসিনা।

২০০৭ সালের ১৬ জুলাই সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে গ্রেফতার করে সংসদ ভবন চত্বরে সাবজেলে পাঠায়। প্রায় ১ বছর পর ২০০৮ সালের ১১ জুন তিনি মুক্তি পান।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নবম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দল ২৬২ আসনে বিজয়ী হয়, যেখানে আওয়ামী লীগ বিজয় লাভ করে ২৩০ আসনে।

২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। ওই বছর ৯ মে তার স্বামী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া মারা যান।

২০০৯ সালে ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দিতে গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের মধ্যে পাঁচজনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

২০১১ সালে টাইম ম্যাগাজিনের আগস্ট সংখ্যায় শীর্ষ ১২ নারী নেতৃত্বের মধ্যে সপ্তম হন শেখ হাসিনা।

২০১১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ভারত-বাংলাদেশ ৬৪ বছরের সীমান্ত সমস্যা সমাধানে চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

২০১২ সালে ১৭ ডিসেম্বর জাতিসংঘের ৬৭তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবিত শান্তি ও সমৃদ্ধির মডেল সবার কাছে সমাদৃত হয়।

২০১৩ সালের ১৫ জুলাই মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালে যুদ্ধাপরাধের দায়ে গোলাম আজমকে ৯০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই বছর ১২ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি হয় কাদের মোল্লার।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে ২৩৪ আসনে পাস করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ১২ জানুয়ারি তৃতীয়বারের মত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা।

২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল দেলোয়ার হোসেন সাইদীকে ১৯৭১ সালে মানবতা বিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ত থাকার দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার দায়ে মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর হয়।

২০১৫ সালের ৩১ জুলাই বাংলাদেশ ও ভারতের ছিটমহলগুলোর সীমানা ও বাসিন্দাদের নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। এ সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হয় ৩০ জুনের মধ্যে।

২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের দায়ে আলী আহসান মুজাহিদ এবং সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হয়।

২০১৬ সালের ১১ মে একাত্তরে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে মতিউর রহমান নিজামির ফাঁসি কার্যকর হয়। একই বছর ৩ সেপ্টেম্বর মানবতা বিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকায় মীর কাশেম আলীর ফাঁসি কার্যকর হয়।

২০১৬ সালে মার্কিন ম্যাগাজিন ফোর্বসে বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ৩৬তম ব্যক্তি হিসেবে শেখ হাসিনার নাম ঘোষণা করা হয়।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা ৭ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয় বাংলাদেশ। সারা বিশ্বে প্রশংসিত হন শেখ হাসিনা।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।

২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

টানা তিন মেয়াদসহ চারবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়ে মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলসহ অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়।

তথ্যসূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas
x