1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১০:০৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। কক্সবাজার উখিয়ায় ১৮ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২ গ্রুপের সংঘর্ষে নিতহ 8 আহত ৭ পটুয়াখালীতে পুলিশের অভিযানে ১৩১ পিস বিয়ার ক্যান, সহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। তেতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসব, চলছে চোর পুলিশ খেলা. শার্শায় উপজেলা মোহাম্মদ আবু মুসা জামাইয়ের হাতে শ্বশুর খুন। Some Known Facts About Sports Betting. ১ নং খট্রা মাধব পাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান অনিয়ম ও দুর্নিতীর শির্ষে।। স্হানীয জনতা অতিষ্ট।। বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে দেশে ফিরেছে ১১ জন কিশোরী ৮ জন কিশোর ও একজন শিশু শাশা উপজেলা ইউনিয়ান নির্বাচনকে ঘিরে দলের ভিতরে কোন গ্রুপিং করা যাবেনা

অকারন পরনির্ভরশীলতা স্বাধীনতার সূর্য কে অস্তমিত করতে পারে

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৯৬ বার

মোঃ ফরহাদ হোসেন বাবু বিশেষ প্রতিনিধি।।  ১৯৭১ দীর্ঘায়ীত কাল নয় সদ্য সমাপনীতে মাত্র রজত জয়ন্তীর সীমানায় দাঁড়িয়ে। বহুকালের বিবর্তন অতিবাহিত হয়নি, বহুল প্রানের রক্তে খচিত সাধনার স্বাধীন। নির্দিস্ট জাতি, গোষ্ঠী বা দলের জন্য স্বাধীনতা নির্ধারিত নয়,মানুষ কে নিতী গত নির্ধারিত প্রাপ্যে দিতেই স্বাধীনতা। সর্গের অমৃত সুখ সন্ধানে বা সোনার প্রাসাদের লোভে মোহিত হয়ে কোন বীরের বীরত্ব সমর্পন করেনি বরং মানুষের অধিকারে জাতীয় সার্থে ৯ টি মাস বাংলার বুকে রক্তের ঢাল পেতে বীরত্বের অমরত্ব লোভে একটি শিকল বদ্ধ জাতিকে চির মুক্ত করতে নিজেকে সমর্পন করেছে। ঘুমন্ত জাতিকে জাগিয়ে দেখিয়ে শিখিয়ে দিল কিভাবে স্বাধীনতার সূর্য কে উদয় করিতে হয় কিভাবে ১৯৭১ উন্নত মম শিরে দাড় করাতে হয়। একটি নির্যাতিত, নিপীড়িত জাতিকে অনির্দিষ্টকালের যন্ত্রণা, বঞ্চনা, লৌহ শিকল থেকে মুক্ত করতে যারা অনায়াসে প্রান বিসর্জ্জন দিতে পন করেছিলেন তারা বর্তমান জাতির পূর্বসূরি কর্তামহ। এ জাতির হয়ত অনেকেই ভুলে গেছে যে স্বাধীনতার সূর্য উদয়নে কারও দয়া দাক্ষিন্যতা ছিল না, বাঙালী মায়ের লৌহ মানবরাই এক লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের একটি চির বাংলাদেশ নামক মুক্তাঙ্গন প্রতিষ্টিত করেছিলেন।

আমি নির্বিঘ্নে,নিরদ্বিধায় হলফ করে বলতে পারি যারা দয়া বা সহযোগিতা করতে এসেছিল তারা সার্থ এবং বিনিময়সহ ঢের ঢের পরিমান এদেশের রাষ্ট্রিয় সম্পদ নিয়ে চলে গেছেন। এ দেশে মসলিন কাপড়ের জন্য বিশ্বব্যাপি সু – নাম কুড়িয়েছিল , পাক হানাদার বাহিনীরা শ্রমিকদের হাত কেটে নিয়েছে, কিন্তু সাহায্যকারিরা উক্ত কাফড় তৈরীর যন্ত্রপাতি সবকিছুই নিয়ে গেছে। শিল্প কারখানার গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম এবং রাষ্ট্রিও আগ্নেয়াস্ত্রগুলো এদেশ থেকে তারা নিয়ে গেল। পাক নৃশংস হায়েনার গোষ্ঠী যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে তাহাতে ত্রিশ লাখ প্রানের সমাধি হয়েছে, সেই পাকিদের আমরা সারাজীবন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করব এটাই স্বাভাবিক। তবে যুদ্ধকালিন এবং তারপরে যারা অমূল্য সম্পদ লুটপাট করে নিয়ে একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের প্রায় সাত কোটি মানুষ কিভাবে পরবর্তী জীবন যাপন করবে তারা তা ভেবে দেখেনি। যারা যুদ্ধে সহযোগিতা করেছিল সেটা যতটুকু সত্য তেমনিভাবে অঘোষিত বিনিময় নিয়ে এ দেশকে খাদ্য সঙ্কট সহ নানা সমস্যায় ফেলে দিয়েছিল তা মিথ্যে নয়।
আজ দেশে যতটা উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে তা কারও দয়ায় নয়,অবশিষ্ট জরাজীর্ণ পড়ে থাকা চাকা আর নিরন্তর অধ্যাবসায় এবং সততা, খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলার গতিকে বেগবান করেছে এদেশের মানুষ।

যে দেশ এবং যে স্বাধীনতার জন্য জীবনবাজি রেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সেই মাটিতে পা দিয়েই আবেগে কেঁদে ফেলেন। বিমানবন্দরে অস্থায়ী সরকারের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা সবাই অশ্রুসজল নয়নে বরণ করেন ইতিহাসের এই বরপুত্রকে। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ৮ জানুয়ারী পাকিস্তানের কারামুক্ত হয়ে লন্ডন এবং দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারী ১৯৭২ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন বাংলাদেশ বিমানবন্দরে নেমে কেঁদে কেঁদে বলেছিলেন, আমি কিভাবে বিচ্ছিন্ন জনপদ আর ভাঙা সংসার জোড়া লাগিয়ে নতুন বাংলাদেশকে একত্রিত করে বেগবান করব। তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু মোটেই হতাস হননি। তখন রাষ্ট্র পরিচালনা এবং দেশের নতুন অর্থনীতির চাকা সচলায়তনে শেখ মুজিবুর রহমানের কর্ম পরিকল্পনা ছিল আগামী সম্ভাবনার সূত্র। আজ সেই সূত্রে গাথা এবং বাংলার মানুষের নিরলস কাজের ফলস্রুতিতেই বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের পতাকা তুলেছে।বাংলাদেশ সার্বিক সামার্থ্য অর্জন করেছে কাঠ খড় পুড়িয়ে, তবে কেন দ্বিতীয় বার নতজানু হয়ে পড়ছি অন্য রাষ্ট্রের অত্যাচারের সামনে?

মাত্র ৫০ বছর পূর্তি হল, এর ভিতরেই কি স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হতে চলেছে? মাত্র ৪৬ বছর হলো এর মধ্যেই কি বাঙালির মহানায়কের স্বপ্ন, পরিকল্পনা ভুলে যেতে বসেছে? না কি স্বাধীনতাগামি বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের প্রজন্মরা মরে গেছে? বাঙ্গালীর কপালে আবার নয়া চিন্তার ভাজ পড়েছে, যানিনা এই চিন্তিত রেখার ভাজ কত গভীর হতে পারে। আজ রাজনীতির গ্যাড়াকলে পরে স্বাধীনতার সূর্যের চারদিকে ঘন অন্ধকার নেমে আসছে। রাজনীতি কে আত্ম কেন্দ্রীভূত করার জন্য আমরা আবার হয়ত কোন পরাশক্তির গোলামির দিকে ধাবিত হচ্ছি যা থেকে এখনই আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সেইমতে পাকিস্তান কে যেভাবে বাঙালিরা বয়কট করেছে তেমনি ভারত কে বয়কট করা প্রয়োজন। ভারত বাংলাদেশে থেকে ষোলআনা পরিপূর্ণ করে নিয়ে যায় কিন্তু তাদের থেকে কিছু পেতে চাইলেই তেমনি ষোলআনা ছলাকলা ব্যতীত আর কিছুই বাংলাদেশ পেল না। এ যাবৎ শুধুই সিমান্ত এলাকায় রক্তাক্ত লাশ ছাড়া সবকিছুই ফাঁকি। ভারতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কতটা সহযোগিতা আর অসহযোগিতা করেছে তা এদেশের সবাই অবগত আছেন। তাই আমি বলব বঙ্গবন্ধুর আদর্শ,স্বপ্ন, সাহসীকতা এবং ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনার কথা রাজনীতিবিদগন ভুলে গেছেন এবং ভুলে গেছেন বাঙালির অর্জন ১৯৭১। এখানে কারও দয়া নেই বরং যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগিতা এসেছিল তারা অগাধ বিনিময় নিয়েছে এ দেশ থেকে। আমরা কারনে অকারনে কেন বার বার ভারতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করব? অনেক সময় বাংলাদেশের রাজনীতির নাটকীয়তায় ভারতের অভিনেতা, অভিনেত্রী দেখেছি, মাঝেমধ্যে তারা আবার পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে। যেখানে ভারত নির্বাচন এবং রাজনীতি এবং সাম্প্রদায়িক সংঘাতেের কারনে প্রশ্নবিদ্ধ, তাদের পরামর্শ, তাবেদারি, অভিনয় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহন করা নিতান্তই আমাদের অযোগ্যতার বহিঃপ্রকাশ যা বঙ্গবন্ধু আদর্শ স্বাধীন চেতনাকে ক্ষূন্য করে। শুধুই যে ভারতকে দোষারোপ করব তেমনটা নয় মূলত আমাদের দেশের কিছু অযোগ্য রাজনীতিবিদগন যখন রাজনীতিকে নিজ কুক্ষিগত প্রক্রিয়ায় পরিচালনা করতে অন্য দেশের সহযোগিতা কামনা করে, তখনই সাহায্যকারী দেশটি আস্তে আস্তে সুযোগ বুজে রাষ্ট্রের মেরুদণ্ডে তাদের তৈরী এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে থাকে। আত্ম স্বার্থে নয়, শুধু মানুষের অধিকার নিহিত করতে, আত্ম সম্মান বজায় রাখতে, বঙ্গবন্ধু এবং স্বাধীন চেতনাকে ধরে রাখতে অপ্রয়োজনীয় পরনির্ভরশীলতা এখনই বিলুপ্ত করতে হবে।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas