1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। নওগাঁ আত্রাই‌য়ে হিরোইন ও ইয়াবাসহ দুইজন এবং গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। পটুয়াখালীর দুমকিতে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে, ভেক্যু পুড়িয়ে ফেললো নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট! জন্মদিনে সহকর্মীদের ভালোবাসায় স্নিগ্ধ মাই টিভির বরগুনা জেলা প্রতিনিধি স্বপন ফেনীতে বিএমএসএফের কলম বিরতি পালন রুদ্র রুহানের জন্মাদিন আজ সংখ্যার চেয়ে আমার কাছে মানের গুরুত্ব বেশি: আসিফ নূর দেশব্যাপী সাংবাদিক হত্যা মামলা-হামলা হয়রাণীর প্রতিবাদে কাল কলমবিরতি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২কোটি টাকার হেরোইনসহ আটক-১ বরগুনায় পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১ পালিত টাংগাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান সিরাজ’র ৭৮ তম জন্ম বার্ষিকী পালন

এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণে অভিযুক্তরা

  • আপডেট সময় শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১০৮ বার

সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত সাতজনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করা হয়েছে।  
 
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে এ গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন – এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ও কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, এমসি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান মাছুম,  এম সাইফুর রহমান, অর্জুন, রাজন আহমদ এবং বহিরাগত ছাত্রলীগ নেতা রবিউল এবং তারেক আহমদ।

তাদের মধ্যে সাইফুর রহমানের গ্রামের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায়, মাহফুজুর রহমান মাছুমের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলায়, অর্জুনের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে, রনির বাড়ি হবিগঞ্জে এবং তারেক সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা।
 
শুক্রবার দিনগত রাত ৩টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে ধরা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানান মহানগরের শাহ পরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
 
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) জোর্তিময় সরকার বাংলানিউজকে বলেন, গণধর্ষণের শিকার নারীর স্বামীর বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকায়।

ওই নারীর স্বামী অভিযোগ করেছেন, শুক্রবার বিকেলে স্ত্রীসহ টিলাগড় এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। এসময় চার/পাঁচজন তরুণ তাদের জিম্মি করে ছাত্রাবাসের ভেতরে নিয়ে যান।পরে ছাত্রাবাসের ভেতরের একটি রাস্তায় তারা তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ওই ছাত্রাবাসে গিয়ে ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে। ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীকে রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।

এদিকে, স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার পর খবর পেয়ে টিলাগড় এলাকার একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা ও কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।  ধর্ষণের ঘটনাটি প্রথম দিকে স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ধাপাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তারা আপোষ মীমাংসারও চেষ্টা চালান। পুলিশও প্রথম দিকে ঘটনাটি গণমাধ্যমের কাছে এড়িয়ে যায়। ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় দীর্ঘ  সময় ক্ষেপণের কারণে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিতে সক্ষম হন। অবশ্য পরে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে ধাপাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা থেকে সরে দাঁড়ান আওয়ামী লীগ নেতারা।  

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণ সুরমার নবদম্পতি শুক্রবার বিকেলে প্রাইভেটকারে করে এমসি কলেজে বেড়াতে যান। বিকেলে এমসি কলেজ ছাত্রলীগের ছয়জন নেতাকর্মী স্বামী-স্ত্রীকে ধরে ছাত্রাবাসে নিয়ে প্রথমে মারধর করেন। পরে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করেন। ওই ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা প্রত্যেকেই ছাত্রাবাসে থাকেন। তারা টিলাগড় কেন্দ্রীক রণজিৎ গ্রুপের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।

সিলেট মহানগরের শাহ পরান থানার ওসি কাইয়ুম চৌধুরী আপোষ মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খবর পেয়েই আমরা এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গিয়ে তাদের উদ্ধার করি। পরে ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীকে ওসমানী হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আমাদের কুৃয়াকাটা নিউজ / সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas