1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। রাজবাড়ীতে বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে যৌন কর্মীকে হত্যা । বঙ্গোপসাগরে নৌ পুলিশের অভিযানে ১৬ জেলে আটক, ৪ ট্রলার মালিককে জরিমানা । কলাপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মৎস্য বন্দর আলিপুরে ট্রলার মালিক ও মাঝি সমিতির বিক্ষোভ মিছিল মহিপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযান,২ লাখ ৫০ হাজার বাগদা চিংড়ি রেনু জব্দ কুয়াকাটায় বিশ্ব সমুদ্র দিবসে জীব বৈচিত্র্য রক্ষার দাবি। ‘ও কিসের সাংবাদিক’? রাঙ্গাবালীতে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যবসায়ীর ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ছিনতাই রাজবাড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকে বাজেট কে স্বাগত জানিয়ে গোয়ালন্দে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় রাজবাড়ীতে গোয়ালন্দে গুরু খামারিদের মাঝে প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয় কলাপাড়ায় প্রানীসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত ॥

‘ও কিসের সাংবাদিক’?

  • আপডেট সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ৭২ বার

লেখক: আসাদুজ্জামান সাজু

দীর্ঘদিন ধরে মফস্বল সাংবাদিকদের প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) সাথে জড়িত থাকার কারণে সাংবাদিকদের নিয়ে কাজ করার একটু অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমার ছোট এ অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি সাংবাদিক সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়ে কাজ করতে গিয়ে প্রথম বাঁধা পেয়েছি খোদ সাংবাদিকদের কাছ থেকেই। এক সাংবাদিক আর এক সাংবাদিককে মেনে নিতে নারাজ। বিশেষ করে কতিপয় সিনিয়র সাংবাদিক জুনিয়র সাংবাদিকদের মেনে নিতে চায় না।

প্রায় সময় সিনিয়র সাংবাদিকদের বলতে শুনি ‘ও কিসের সাংবাদিক ? ‘ও কোন মিডিয়ায় কাজ করে ? এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে আমি একটু নিজের কথা বলতে চাই। সালটা ১৯৯৯/২০০০ হবে। লালমনিরহাট থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক লাল প্রভাত’ পত্রিকার হাতীবান্ধা উপজেলার সিঙ্গিমারী ইউনিয়ন প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করি। হাতীবান্ধায় একটি নিউজের ঘটনাস্থলে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলে এক সিনিয়র সাংবাদিক ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। তিনি ২০/২৫ জন লোকের সামনে আমাকে বলে ‘তুমি কিসের সাংবাদিক ? এই কাগজ কলম নিয়ে এই নিউজটা লিখে দাও তো তুমি কেমন সাংবাদিক ? তার কিছু দিন পর সাংবাদিক মিলন পাটোয়ারী ভাইয়ের সহযোগিতায় রংপুর থেকে দৈনিক অর্জন পত্রিকার পরিচয়পত্র পাই। সেই পরিচয়পত্র নিয়ে লালমনিরহাট এলে এক সিনিয়র সাংবাদিক পত্রিকার নাম শুনে বলেন অর্জন না অর্জুন। এটা পত্রিকার নাম না গাছের নাম? বেশি দিনের কথা নয় ২০১১ সালের দিকে হাতীবান্ধায় এক অফিসে আমাকে ভুয়া সাংবাদিক বলে আটকিয়ে রেখে ছিলেন। সেই কর্মকর্তা তখন হাতীবান্ধা থানার তৎকালীন ওসি বর্তমানে সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার তাপস সরকারের কাছে আমার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আমাকে ছেড়ে দেয়।

আমরা যারা বলি “ও কিসের সাংবাদিক ? ‘ও কোন মিডিয়ায় কাজ করে ? আমরা কি একবার নিজের চোখ বন্ধ করে নিজের সাংবাদিকতায় আসার সময়টা একটু চিন্তা করে দেখি ? আজ হয়তো আমরা দেশের প্রথম শ্রেণীর মিডিয়া হাউজে কাজ করি। কিন্তু আমি বা আমরা কোন মিডিয়ায় কাজ করার মধ্যদিয়ে সাংবাদিকতায় এসেছি তা কি ভেবে দেখেছি ? আপনার আমার সাংবাদিকতাও শুরু হয়েছে কোনো না কোনো নামসর্বস্ব মিডিয়া দিয়ে। নিজের দক্ষতায় আজ ভালো মিডিয়ায় কাজ করছি। আজ যে ছেলেটি নামসর্বস্ব মিডিয়ায় সাংবাদিকতা করছেন কাল সেই ছেলেটি দেশের প্রথম শ্রেণীর মিডিয়ায় কাজ করার সুযোগ পাবেন নিজের যোগ্যতা বলে।

এ ছাড়া প্রায় বলতে শুনি হলুদ সাংবাদিক, কথিত সাংবাদিক আর মুলধারার সাংবাদিক। যারা নামসর্বস্ব মিডিয়ায় কাজ করে তাদের বলা হয় হলুদ বা কথিত সাংবাদিক আর যারা প্রথম শ্রেণীর মিডিয়ায় কাজ করে তাদের বলা হয় মুলধারার সাংবাদিক। আমার মফস্বল সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি মফস্বল সাংবাদিকতাটা অনেকের শুরু হয়েছে হলুদ ও কথিত সাংবাদিকতা দিয়ে। সময়ের পরিবর্তনে সেই হলুদ আর কথিত সাংবাদিক হয়ে উঠে মুলধারার সাংবাদিক।

সব মিলে আমি একটি কথা আগেও বলেছি আজও বলছি, কতিপয় সিনিয়র নিজের সাম্রাজ্য যাতে নষ্ট না হয় সেই জন্য জুনিয়রদের মেনে নিতে নারাজ। কিন্তু তারা জানেন না যে যত বেশি বাঁধা পায় তার সফলতা তত কাছে । আমার সাংবাদিকতার শুরুতে যারা আমাকে পথে পথে বাঁধা দিয়েছেন তাদের সাংবাদিকতা এখন আমার উপর অনেকটা নির্ভরশীল। ১৯৯৯-২০২১ সাংবাদিকতার এ পথ চলায় একাধিক মামলা ও হামলা মোকাবেলা করে সিঙ্গিমারী ইউনিয়ন প্রতিনিধি থেকে আজ দৈনিক মানবকন্ঠে জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। বাঁধা আমাকে কাজের প্রতি আগ্রহ বেড়ে দিয়েছে। কেন আমাকে তারা সাংবাদিক হতে দিবে না ? কি আছে সাংবাদিকতায় ? এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে গিয়ে সাংবাদিক হয়ে গেলাম। এটাই বাস্তবতা প্রিয় কতিপয় সিনিয়র সাংবাদিক সহকর্মীবৃন্দ। জুনিয়রদের ভালোবাসা দিয়ে পাশে রাখেন দেখবেন নিজে সাংবাদিকতার পথ সহজ হবে।

অনেকেই বলেন, অপ-সাংবাদিকতা বন্ধ করতে হবে। জি আপনাদের সাথে আমিও একমত। কিন্তু সাংবাদিকতার নামে অপ-সাংবাদিক কারা করছে ? যারা যুগ যুগ ধরে সাংবাদিকতা করে একটি সিন্ডিকেট তৈরী করেছেন তারাই অপ-সাংবাদিকতার সাথে জড়িত। তাদের সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে গেলেই জুনিয়রদের ‘বেয়াদব’ ‘ভুয়া’ ‘কথিত’ ‘হলুদ সাংবাদিক বলে গালি দেয়া হয়। তার সাথে এখন যোগ হয়েছে ‘ও তো বিএনপি-জামাত করে। ও কিসের সাংবাদিক ? জনাব, যদি কখনো আওয়ামীলীগ বিরোধীরা ক্ষমতায় যায় তখন যে ওরা বলবেন ‘ও আওয়ামীলীগ করে, ‘ ও কিসের সাংবাদিক ?

শুভ কামনা রইল জুনিয়র সহকর্মীদের জন্য। তোমাদের পাশে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)সহ আমি ব্যক্তিগত ভাবে আছি এবং থাকবো।

লেখক: আসাদুজ্জামান সাজু, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, লালমনিরহাট জেলা কমিটি।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas