1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আযহা।। কুয়াকাটা পৌরসভায় ১৬ ’শ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে চাল বিতরণ কুয়াকাটায় কন্যাদ্বায়গ্রস্ত পিতার পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সোহাগ।। বঙ্গবন্ধুর নামে ৮ টি গরু ২টি মহিষ কোরবানী দিবেন কুয়াকাটা পৌর মেয়র। পটুয়াখালীতে করোনায় আরও তিন জনের মৃত্যু।। কুয়াকাটায় ৩ হাজার পেলো প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা। ২৪ ঘন্টায় করোনা আপডেট নওগাঁ জেলায় আরও ২ ব্যক্তির মৃত্যুঃ মোট মৃত্যু ১১১ জনঃ নতুন আক্রান্ত ৫৬ জন দশমিনায় তিন ইউপি সদস্যদের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত

আগুনমুখার ছেলে

  • আপডেট সময় শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১
  • ৯০ বার

তৌহিদুল ইসলাম কনকের লেখা

ধারাবাহিক উপন্যাস

প্রথম পর্বের শেষ অংশ

পর্ব ১ শেষ অংশ

নদীতে এখন আর জোয়ার নেই, আগুনমুখা নদীর মোহনায় যে কয়টা নদী সংযোগ হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম রামনাবাদ। এই নদী যখন উত্তাল ঢেউ থাকে তখন ঢেউয়ের উচ্চতা প্রায় দশ ফুট। এখন জোয়ার নেই মিশে গেছে বঙ্গোপসাগরের মোহনায়। আমি আব্বার হাত ধরে চরের মধ্যে নামলাম। চরে নামতেই যেখানে পানি জমে আছে সেখানে বড় বড় চিংড়ি মাছ । আমি আর দেরী করলাম না মাছ ধরা শুরু করে দিলাম। মাছ ধরতে ধরতে একদম যেখানে জাল দিয়ে বেড়া দিয়েছে সেখানে চলে গেলাম। সেখানে গিয়া দেখি তিন আংগুল পানির মধ্যে বড় বড় মাছ সাঁতার কাটছে। আমি কোরাল মাছ রুই মাছ পোয়া মাছ শলা চিংড়ি বাইন মাছ রাম ছস এসব মাছ ধরতে ধরতে একটা ছালার বস্তা ভরে গেল।
আব্বারে কইলাম আপনি এই বস্তা মাছ উপরে রাইখা আহেন। আমি আর এক বস্তা মাছ ভরতে থাকি।
আমি মাছ ভরে ফেললাম বস্তায়। কি যে আনন্দ মনের মধ্যে গান গাইতে থাকল। তিনটি বস্তা মাছ দিয়ে ভরে ফেললাম । আব্বায় এক এক করে তিন বস্তা মাছ ঘরে নিয়ে গেল। আমি এবার বিশাল গর্ত করে সেখানে মাছ রাখতে শুরু করলাম। এক সময় মাছে মাছে গর্তটা ভরে গেল আমি তখন সেই সেই গর্তটা ছইলা গাছ দিয়ে ঢেকে রাখলাম তার উপরে কাদামাটি দিয়ে লেপে দিলাম। তারপর কিছু কেওড়া গাছের ডালপালা দিয়ে ঊচা করে রাখলাম। এরপর মৌফল গাছের ডালপালা দিলাম। যাতে কেউ বুজতে না পারে এখানে মাছ আছে।
তারপর আমি আব্বার সাথে ঘরে গেলাম। আব্বায় অনেক খুশি আইজ। তিন বস্তা মাছ ধরছি। হয়ত মাছ বিক্রি করে আব্বায় ঘরে চাউল কিনে আনবে। তখন ভাত রান্না করে খাওয়া বে।
আমার ছোট বোন চায়নার এই পৃথিবী তে যখন এলো তখন আমাদের ঘরে ভাত নেই। আর চরের মাছ ধরে
আব্বার মুখে হাসি ফুটা তে পেরে আজ আমার মনে হয়
অর জন্ম সার্থক। ওর কারনে হয়ত আমার আর ও দুই বোন খেতে পারবে।
আমার মায়ের মুখেও হাসি মাছ দেখে। এক সময় সকাল হয়ে গেলো। চরের দিকে চেয়ে দেখি জাউললারা জাল নৌকায় ভরে নাও বাইয়া ফেলা বুনিয়ার দিকে চইললা যাইতাছে।
চরে আর কোন লোক জন নাই। আমি আববা রে কই লাম আমি এক গর্ত মাছ রাইখা আইছি চলেন মাছ গুলা লইয়া আহি। আমি আর আববায় গিয়া মাছ গুলা বেবাক লইয়া আইলাম।
তারপর হাত মুখ ধুইয়া মাছ লইয়া তক্তাবুনিয়া বাজারে গিয়া মাছ বিক্রি কইরা আব্বায় চাউল আটা ডাল কিনে আনল। এরপর আব্বায় রান্না করল। মা ত এখন রান্না করতে পারবে না। আব্বার রান্না শেষ করে আমাগো তিন ভাই বোনেরে ডাকলো, কইলো আয় ভাত খাইতে আয়। আব্বায় আমারে আলাদা ভাবে কইলো আয় তোরে আমি খাওয়াই দেই। তোর লাইগা আজ সবাই খাইতে পারছে। আববায় কইতে কইতে চোখের পাণি ছলছল করে উঠলো।
আমি আর কিছু কইলাম না আব্বার চোখের দিকে তাকাইয়া রইলাম। তারপর আমার চোখের পানি আর আটকে রাখতে পারলাম না।
চলবে।।।
বাকী অংশ দ্বিতীয় পর্বে

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas