1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। কক্সবাজার উখিয়ায় ১৮ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২ গ্রুপের সংঘর্ষে নিতহ 8 আহত ৭ পটুয়াখালীতে পুলিশের অভিযানে ১৩১ পিস বিয়ার ক্যান, সহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। তেতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসব, চলছে চোর পুলিশ খেলা. শার্শায় উপজেলা মোহাম্মদ আবু মুসা জামাইয়ের হাতে শ্বশুর খুন। Some Known Facts About Sports Betting. ১ নং খট্রা মাধব পাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান অনিয়ম ও দুর্নিতীর শির্ষে।। স্হানীয জনতা অতিষ্ট।। বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে দেশে ফিরেছে ১১ জন কিশোরী ৮ জন কিশোর ও একজন শিশু শাশা উপজেলা ইউনিয়ান নির্বাচনকে ঘিরে দলের ভিতরে কোন গ্রুপিং করা যাবেনা

প্রচুর পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় কুয়াকাটায় কমে গেছে দাম।

  • আপডেট সময় রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩১৯ বার

কুয়াকাটা প্রতিনিধি:-
পটুয়াখালী, কুয়াকাটা, মহিপুর মৎস্য বন্দর আলিপুর, সাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। সাগরে আহরিত ইলিশে গত দুই সপ্তাহ ধরে মৎস আড়দে আসছে শত শত মন ইলিশ এত ইলিশ দেখে আনন্দ মুখরিত হয় জেলেপাড়া গুলো।
দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে জেলেরা ট্রলার ও বোট ভর্তি করে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরছেন। আর বাজারগুলো সয়লাব হয়ে গেছে ইলিশে। দামও তুলনামূলকমে গেছে । কয়েক বছর আগেও দেশের মানুষ এমন দামে ইলিশ পাতে তোলার কথা স্বপ্নেও ভাবতে পারতেন না।
গত ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই, টানা ৬৫ দিন ইলিশ ধরতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মৎস্য অধিদফতর।
আর অন্যদিকে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে তারও অনেক আগে থেকেই বন্ধ হয়ে যায় ইলিশ ধরার স্বাভাবিক কার্যক্রম।
এত দীর্ঘ বিরতির পর ২৩ জুলাই রাত থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পরও অনেকদিন যাবত দেখা মেলেনি ইলিশের, এইজন্য সমস্যা পোহাতে হচ্ছে হাজারো জেলেদের, খেয়ে না খেয়ে দিনযাপন করতে হয়েছিল অবহেলিত এলাকার জেলেদের।

হঠাৎ আল্লাহতালার অশেষ রহমতে দুই সপ্তাহ ধরে ধরা পড়ছে মন কে মন ইলিশ, এমন ইলিশের সমাহার দেখে হাসি ফুটেছে কুয়াকাটা, মহিপুর, আলিপুরের জেলেপাড়ার মানুষের মুখে।
এসময় আনন্দের সাথে জেলেরা ট্রলার, বোট বোঝাই করে ইলিশ ধরতে থাকে।

দীর্ঘ সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকায় সেই সঙ্গে এ বছর বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ার কারণে, নদীতে পানি প্রবাহ বেড়েছে এবং ইলিশ আগের চেয়ে বেশি ধরা পড়ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা আরো বলেন অনেকদিন যাবত সাগর ও নদীতে মাছ ধরা নিষেধ থাকার কারণে এবছর মাছের সাইজ বড় আকারে দেখা গেছে এবং মাছ খেতে অনেক সুস্বাদু হয়ে গেছে।
অভ্যন্তরীণ নদ-নদী এবং সাগরে সারা বছরই কম বেশী ইলিশ আহরিত হয়। শ্রাবন-ভাদ্র-আশ্বিন এই ৩ মাস ইলিশের প্রধান মৌসুম। এ বার ভরা মৌসুমের শুরুতে নদী-সাগরে ছিল ইলিশের আকাল। মৌসুম শুরুর দেড়মাস পর মধ্য ভাদ্র থেকে নদ-নদী আর সাগরে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করে। এ সপ্তাহে ৭ থেকে ১০ হাজার মণ ইলিশ আসছে মোকামে। সব শেষ এক দুই দিনে প্রায় ৩ হাজার মণ ইলিশ এসেছে মোকামে। এর মধ্যে নদীর ইলিশ অল্প-সাগরের ইলিশ বেশী।
স্থানীয়দের চাহিদা মোটানোর পরও উদ্বৃত্ত থাকা ইলিশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই কুয়াকাটা, মহিপুর, আলিপুরে। এ কারণে দরপতন হয়েছে ইলিশের।

মনিপুরের মৎস্য আড়তদার মোঃ জহির সিকদার জানান, মোকামে অন্তত ৩ হাজার মণ ইলিশ এসেছে এই দুই দিনে। যার বেশীরভাগ সাগরের। স্থানীয় বাজারে বিক্রির পরও অবশিষ্ট ইলিশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। একসাথে প্রচুর পরিমাণ ইলিশ আসায় দরপতন হয়েছে।

কুয়াকাটা আল্লাহর দান মৎস্য ফির্সের আড়তাদার মো. রুবেল বেপারী জানান, বৃহস্পতিবার দেড় কেজি সাইজের প্রতি মণ ইলিশ ৩৮ হাজার, ১ কেজি ২শ’ গ্রাম সাইজের প্রতি মণ ৩২ হাজার, কেজি সাইজের প্রতিমণ ৩০ হাজার, রপ্তানিযোগ্য এলসি সাইজ (৬শ’ থেকে ৯শ’ গ্রাম) ২৬ হাজার, ভেলকা (৪শ’ থেকে ৫শ’ গ্রাম) সাইজ প্রতি মণ ২২ হাজার এবং গোটলা সাইজ ইলিশ প্রতি মণ বিক্রি হয়েছে ১৪ হাজার টাকা মণ দরে। এই দুই দিনে মাছ প্রচুর হওয়ার কারণে বৃহস্পতিবারের চেয়ে দাম অনেক কমে গেছে।

মহিপুর -আলিপুর মৎস আড়দের সভাপতি আনসার উদ্দিন মোল্লা বলেন, এত পরিমাণ ইলিশ আসছে, রাখার জায়গা নেই। সংরক্ষণের জন্যও নেই কোন হিমাগার। কম দামে ছেড়ে দিতে হচ্ছে ইলিশ। এতে যারা সাগর-নদীতে ইলিশ আহরণ করে সেই জেলে ও ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়ছে। জেলে ও ব্যবসায়ীরা মৌসুমের এই সময়টার জন্য সারা বছর অপেক্ষা করে। অথচ ভরা মৌসুমে ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। ইলিশের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে জেলে ও ব্যবসায়ীদের লোকসানের কবল থেকে বাঁচাতে অন্তত ভরা মৌসুমে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এই বিষয় নিয়ে ফোনের মাধ্যমে কথা হয় মৎস্য বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আনিছুর রহমান 3 জানিয়েছেন, সরকারের নানা উদ্যোগের কারণে ইলিশ উৎপাদন এবং আহরণ বেড়েছে। আশ্বিন মাসের শেষের দিকে ডিমওয়ালা মা ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা আসছে। তার আগ পর্যন্ত সাগর-নদীতে প্রচুর ইলিশ পাওয়া যাবে। এখন সাগরের ইলিশ বেশী আসছে। কয়েকদিন পর নদীতেও প্রচুর ইলিশ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে মৎস্য বিভাগের উপ-পরিচালক।

বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান বলেন, প্রচুর ইলিশ আহরিত হওয়ায় তৃনমূল পর্যায়ের জনগণও খেতে পারছে। এটা ভালো দিক। তবে জেলে-ব্যবসায়ীদের প্রকৃত মূল্য না পাওয়া দুঃখজনক। দেশীয় চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত থাকা ইলিশ বিদেশে রপ্তানি করা যায় কি কিনা সে বিষয়টি সরকারকে অবহিত করবেন তিনি।জা

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas