1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪

কুয়াকাটায় অষ্টম শ্রেনীর শিক্ষার্থী গনধর্ষণের শিকার গ্রেফতার-২।

  • আপডেট সময় বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০
  • ৩২৯ বার

কুয়াকাটা প্রতিনিধি।।
প্রলোভনে পরে বন্ধুর সাথে কুয়াকাটায় বেড়াতে গিয়ে বরগুনা জেলার আমতলী পৌরসভার এ কে স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেনীর শিক্ষার্থী গনধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা সাবিনা বেগম বাদী হয়ে অপহরণ ও গনধর্ষণের অভিযোগ এনে আমতলী থানায় মঙ্গলবার দুপুরে একটি মামলা দায়ের করেছে।

এ গণধষণের সাথে জড়িত ছাত্রীর বন্ধু জিসান ওরফে সোহেল (১৮) ও ভাড়াটিয়া মটরসাইকেল চালক সাগর (২১) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল রাজু ও সাগর নীড় হোটেলে এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানা সদর ইউনিয়নের সেরাজপুর গ্রামের বাদশা গাজীর পুত্র জিসান ওরফে সোহেল এর সাথে মোবাইলে
কথোপোকথনের মাধ্যমে বন্ধুত্ব হয়। ওই কিশোরীর সাথে জিসানের প্রায় সময়ই মোবাইলে কথা হয়। এক পর্যায়ে জিসান দেখা করার প্রস্তাব দেয়।

সোমবার শেষ বিকেলে জিসান ওই শিক্ষার্থীর সাথে দেখা করতে আমতলী পৌর এলাকার বাসা সংলগ্ন সকাল সন্ধা হোটেলের সামনে গিয়ে ফোন করে। জিসানের ফোন পেয়ে বাসা থেকে বেড়িয়ে জিসানের সাথে দেখা করে। এসময় জিসান তার সাথে ঘুরতে যাবার আবদারে অটো রিক্সায় টেনে তুলে খুড়িয়ার খেয়াঘাটের দিকে নিয়ে যায়।

সেখানে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা ভাড়াটিয়া মটরসাইকেলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই টেনে তুলে। এসময় আপত্তি তুললেও মটরসাইকেল চালক দ্রতগতিতে চালিয়ে কুয়াকাটায় নিয়ে যায়।রাত আটটার দিকে কুয়াকাটা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত আবাসিক হোটেল রাজু’র ২০৩ নম্বর কক্ষে উঠায়।

সেখানে জিসান ওরফে সোহেল (১৮) ও সাগর (২১) সহ ৫জনে মিলে প্রথম দফায় ধর্ষণ করে ওই শিক্ষার্থীকে। হোটেলে ওঠার এক ঘন্টা পর হোটেল রাজু’র কক্ষ থেকে বেড়িয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলা পরিষদ ডাক বাংলো সংলগ্ন আবাসিক হোটেল সাগর নীড়’র নীচ তলায় এ-ফোর ও এ-ফাইভ নামে দু’টি কক্ষ ভাড়া নিয়ে রাতভর পাঁচ যুবক মিলে ধর্ষণ করে ওই ছাত্রীকে।

সকালে পরিবহনে আমতলী পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকে বাড়িতে গিয়ে মায়ের কাছে এঘটনা জানায়।
এঘটনায় ধর্ষিতার মা আমতলী সরকারী কলেজের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী সাবিনা বেগম বাদী হয়ে অপহরণ ও গনধর্ষণের অভিযোগ এনে আমতলী থানায় মঙ্গলবার দুপুরে একটি মামলা দায়ের করে।

আমতলী থানার ওসি তদন্ত মোঃ হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওইদিন বিকেলে ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীকে নিয়ে আসামীদের ধরতে অভিযানে নামে। অভিযান কালে ভিকটিমের সনাক্ত মতে আমতলী পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের সানু হাওলাদারের পুত্র ভাড়াটিয়া মটরসাইকেল চালক সাগর (২১) কে গ্রেফতার করে।

এরপর পটুয়াখালীর মহিপুর থানা সদর ইউনিয়নের সেরাজপুর গ্রামের বাদশা গাজীর পুত্র জিসান ওরফে সোহেল (১৮) গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত দুই ধর্ষক ও ভিকটিমকে নিয়ে সন্ধায় কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেল রাজু ও সাগর নীড় হোটেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। সেখানে হোটেলের গেষ্ট রেজিস্টার জব্দ করে। এবং হোটেলের ম্যানেজার ও স্টাফদের সাথে কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পান।

পুলিশ আরও জানান, আবাসিক হোটেল সাগর নীড়’র গেষ্ট রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ রুম ও নামের সাথে কোন মিল নেই। সেখানে ওই ছাত্রীর নাম রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। এবং দুই রুমে শিক্ষার্থী সহ ৬জনে অবস্থান করলেও সেখানে রেজিষ্টারে ১জনের নাম রয়েছে, কক্ষ নম্বর দেখানো হয়েছে বি-ফোর ও বি-ফাইভ। ওই হোটেলের গেষ্ট রেজিষ্টারে কোন ধরনের নিয়মকানুন মানা হয়নি।

আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, ভিকটিমের মা বাদী হয়ে অপহরণ ও গনধর্ষণের অভিযোগে আমতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার সনাক্ত মতে দুই ধর্ষককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে বাকী আসামীদের চিহ্নিত করণ ও গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ধর্ষিতাকে ডাক্তারী পরিক্ষার জন্য পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর

পটুয়াখালী অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান পুড়ে ছাই। পটুয়াখালী প্রতিনিধি।। পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন জানান, সোমবার রাত ৩টার পরে হঠাৎ করে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ এলাকা থেকে অগ্নিকাণ্ডের খবর আসে। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে খাদিজার চায়ের দোকান, হানিফ মিয়ার গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান, মালেক মিয়ার মুদি দোকান ও জাহাঙ্গীর নামের একজনের দোকান পুড়ে যায়। অগ্নি কান্ডে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেনি পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস।

© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas