1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪

জোরপূর্বক বাড়ি দখল ও মিথ্যা মামলা দিয়ে অসহায় পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ।

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৫০১ বার

বিশেষ প্রতিনিধিঃ– ফরিদপুর জেলা শহরের পশ্চিমখাবাসপুর এলাকার পুরোনো বাসিন্দা মোছাম্মৎ খোদেজা বেগম। যাহা ফরিদপুর পৌরসভার হোল্ডিং নং ৩/৭,বাড়ি নং ৩১৩, মাওলানা মোবারক আলী মহল,মওলানা আব্দুল আলী সড়ক, ফরিদপুর।অথচ এখানে ফরিদপুর পৌরসভা থেকে একই বাড়িতে আরেকটি হোল্ডিং নাম্বার দিয়েছে যাহাতে উল্ল্যেখ রয়েছে আলহাজ্ব মঞ্জিল, মোঃ নুরুল ইসলাম,হোল্ডিং নং ৩/৭, ওয়ার্ড নং ১৩, মাওলানা আব্দুল আলী সড়ক,পশ্চিম খাবাসপুর ,ফরিদপুর।


এমন একটি ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী মোঃ খালেদ,৩/৭,বাড়ি নং ৩১৩, মাওলানা মোবারক আলী মহল এর মায়ের সূত্রে মালিক তাহার সাথে কথা বললে তিনি জানালেন, ২০০৫ সালে আমাদের বাড়ির পূর্ব পাশে ৩ শতাংশ দলিল মোঃ আব্দুল হান্নানের নামে দান পত্র দলিল রেজিষ্ট্রি করে নেয়।এরপর ২০০৮ সালে সেই জমি সে ফেরৎ দিবে মর্মে ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা তাহার বড় দুলাভাই মাওলানা মোবারক আলীর কাছ থেকে বুঝিয়া নেয়। পরবর্তীতে সেই জমি সে রেজিষ্ট্রি করিয়া দেয় না এবং টাকা আত্মসাৎ করে। এ বিষয়ে পারিবারিকভাবে শালিস হয়েছে যাহা থানা পর্যন্ত গড়িয়ে কোর্টে মামলায় চলমান রহিয়াছে।২০১২ সালে ঐ জমির টাকা আত্মসাতের প্রতারনা মামলার আসামী মোঃ আব্দুল হান্নান অন্য ব্যাক্তির কাছে গোপনে ২০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে তাকে দখল বুঝিয়া দেয়। তিনি সেই জমিতে ক্রয়কৃত সম্পত্তির বলে জমিতে রয়েছে। যাহার হোল্ডিং নং ৩/৭/এ, দলিল কৃত মালিক মোছাম্মৎ হোসনে আরা বেগম। প্রতারক হান্নান এখানেই ক্ষান্ত হননি। তিনি ২০২০ সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর মোঃ নুরুল ইসলামকে হেবাবিল এওয়াজ দলিল করে দেন । অথচ দলিল গ্রহীতা নূরুল ইসলাম দলিল দাতা হান্নানের কোন নিকট আত্মীয় হয় না। সে ক্ষেত্রে কিভাবে হেবাবিল এওয়াজ দলিল করতে পারেন। এখানেও তথ্য গোপন করে দলিলটি করা হয়। যাহা সম্পূর্ণ অবৈধ। এ ঘটনার বিষয়ে ফরিদপুর জেলা জর্জ আদালতে হান্নানের দলিল বাতিলের মামলা চলমান।সেই মামলাটি চলমান থাকা অবস্থায় কিভাবে অনত্র জমি বিক্রি করতে পারে ? ভুমি রেজিষ্ট্রি অফিসে সেটা কিভাবে রেজিষ্ট্রি হয় ?
এ বিষয়ে এলাকাবাসী অনেকেই সাংবাদিকদের জানালেন, খন্দকার মাওলানা মোবারক আলী একজন দ্বীনি মানুষ, প্রবীন আলেম। তিনি ফরিদপুরে সর্ব মহলে পরিচিত একজন ভালো মানুষ।দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি এই বাড়িতে বসবাস করছেন। মাওলানা মোবারক আলী মহলটি অনেক পুরোনো । এখানে দলিল রেজিষ্ট্রির ঘটনাগুলো এক ধরনের প্রতারনা। এটা সঠিক তদন্ত করলে সত্যতা বেড়িয়ে আসবে। বেশ কয়েকবার এই বাড়িটি জবর দখলের পায়তারা করেছে। এলাকার স্থানীয় অনেকেই বিষয়টা জানে।
গত ২৭/১২/২০২০ইং তারিখে বিকাল ৪টার দিকে হান্নান এবং নুরুলইসলামের নেতৃত্বে কিছু লোক বাড়ি দখলের জন্য গেট , দড়জা ভাংচুর করে এবং নতুন একটি হোল্ডিং নাম্বার বাড়ির দেওয়ালে টানিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের সাথে দেখা করে বাড়ি জবর দখল এবং ভাংচুরের ভিডিও সহ মৌখিক অভিযোগ দেয়া হয়েছে পরিবারের পক্ষে। সে মোতাবেক পুলিশ সুপার আলিমুজ্জামান একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কোতয়ালী থানা পুলিশ দখলকৃত বাড়ির তালা ভেঙ্গে প্রকৃত মালিককে ঘড় বুঝিয়ে দেয়।
গত ২০ জানুয়ারী ২০২১ তারিখে কোতয়ালী থানার এস আই আনিচুর রহমান দুই পক্ষকে থানায় ডেকে একটি শালিস করার আয়োজন করেছিলো। যেহেতু বাড়ির বিষয়টি আদালতে মামলায় চলমান তাই থানায় বসা হয়নি বলে জানান মোছাঃ খোদেজা বেগম।
এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার এস আই আনিচুর রহমান এর সাথে সাংবাদিকরা কথা বললে তিনি জানান, আমি শান্তি প্রতিষ্টার জন্য দুই পক্ষকে ডেকেছিলাম। যেহেতু বিসয়টি আদালতে মামলা চলমান তাই এক পক্ষ শালিসে বসতে চায়নি। এটা তাদের বিষয়।
একই বাড়িতে দুইটি হোল্ডিং নাম্বার থাকার বিষয়টি নিয়ে ফরিদপুর পৌরসভায় গেলে সেখানে কেউ এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। কারন এই হোল্ডিং নাম্বার যারা দিয়েছে তার দায়ভার নব নির্বাচিত প্যানেল নিতে চায় না।
বাড়ি দখলের পর থেকে মোছাম্মৎ খোদেজা বেগম তার পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas