1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। কলাপাড়ায় হামজার ধাক্কায় ৯ বছরের শিশুর মৃত্যু।। সারাদেশে সাংবাদিক হত্যা, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে পটুয়াখালী (বিএমএসএফ’র) কলম বিরতি কর্মসূচি। কবিতা- নতুন লোকে কলাপাড়ায় ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নে উপনির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ দেলওয়ার নির্বাচিত।। রাজবাড়ী খানখানাপুর ইউনিয়নে মৃত, নাজু শেখ কে ঘিরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সংস্কারের অভাবে অস্তিত্ব বিলীনের পথে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান কানাই-বলাই দিঘী বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত” বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান বাউফলে সাংবাদিকের উপরে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন। মহিপুরে প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় একসঙ্গে দুই জনের বিষপানে প্রেমিকের মৃত্যু। কলাপাড়ার ডালবুগঞ্জে নৌকা প্রতিকের নির্বাচনী অফিস ভাংচুর।।

এনজিও( NGO) তে কেরিয়ার গড়তে মানুসিক প্রস্তুতি সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ ।

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৭১ বার

লেখক,ড.মুহিব আহমেদ শাহীন
সিইও, ইহসান প্রশিক্ষণ সেবা ফাউন্ডেশন (ইপিএসএফ)
NGO (Non-Government Organization) হল বেসরকারি অলাভজনক সংগঠন যারা দেশ, সমাজ ও মানুষের উন্নয়নের জন্য নানামুখী কাজ করে থাকে। বর্তমানে এনজিওগুলোর মূল কাজ হচ্ছে মানুষের মধ্যে যে আত্মবিকাশের ক্ষমতা আছে সেটা কাজে লাগানো। মানুষ যেন নিজেই নিজের অবস্থা পরিবর্তন করতে পারে তার ব্যবস্থা করে দেওয়া। এছাড়া তারা বিশেষ জনগোষ্ঠীকে নিয়েও কাজ করে, যেমন- প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী, শ্রমজীবি শিশু, কিংবা নির্যাতিতা নারী।এনজিওর কাজ বহুমুখী, সেখানে কাজের ক্ষেত্রও ব্যাপক। মাঠ পর্যায়ে ছোট-বড় বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সাথে মেশা, তাদের সমস্যার কথা সরকার ও সমাজের প্রতিষ্ঠিত মহলকে জানানো, তাদের উন্নয়নে বিভিন্ন প্রজেক্ট হাতে নেওয়া, এর জন্য দাতাগোষ্ঠীর কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহ করা, সামগ্রিকভাবে বিভিন্ন প্রজেক্ট পরিচালনা করা- নানা স্তরে এনজিওতে অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে।
এনজিও তে কেন কেরিয়ার গড়বেন?
এনজিওতে কাজের ধরন অন্যান্য সেক্টরগুলো থেকে ভিন্ন হয়ে থাকে। এ পেশায় আসার আগে অবশ্যই একজনকে মানসিকভাবে ঠিক করে নিতে হবে যে, আদৌ এ পেশাটি তার জন্য উপযুক্ত কিনা। এখানে প্রতিটি কর্মীকে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হয় স্বতঃস্ফূর্তভাবে। তাই এনজিওতে আপনি কেন কাজ করবেন তা নির্ভর করছে আপনার সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা থেকে। এছাড়াও নিজের ক্যারিয়ার গড়ার সহায়ক উপাদান হিসেবে এনজিওতে কর্মরত অবস্থায় আপনি বিভিন্ন ধরণের সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকবেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণের সুযোগ থেকে আপনি সে সকল অঞ্চলের মানুষ এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবেন একেবারে কাছ থেকে। সর্বোপরি দরিদ্র সুবিধা বঞ্চিতদের উন্নয়নমূলক কাজে সরাসরি নিজেকে নিয়োজিত করতে পারবেন।
এনজিওর কাজের ধরনঃ
এনজিওতে কাজের ধরনকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। একটি হচ্ছে প্রজেক্ট ভিত্তিক, এবং আরেকটি হচ্ছে পার্মানেন্ট বা স্থায়ী ভিত্তিক।
এনজিওতে প্রজেক্ট ভিত্তিক কাজঃ
প্রজেক্ট ভিত্তিক কাজগুলোতে কর্মীরা চুক্তি ভিত্তিতে নিযুক্ত হন। অর্থাৎ প্রজেক্টের মেয়াদ যতদিন থাকবে, ঐ পদের জন্য তারা ততোদিনই কাজ করবেন। এ ধরণের প্রজেক্টগুলো সাধারণত গড়ে ৩ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে। তবে এই প্রজেক্টগুলোর মেয়াদ পরবর্তীতে নবায়িত হতে পারে। আপনার কাজের উপর নির্ভর করবে প্রজেক্টের পরবর্তী অংশের জন্য আপনার চুক্তি নবায়িত হবে কিনা। এনজিওতে কিছু পদ আছে যেগুলোকে বলা হয়ে থাকে রেগুলার পজিশন। প্রজেক্টের সাথে এগুলো সরাসরি সম্পৃক্ত থাকে না। এগুলোকে সুপারভাইজরি পজিশন-ও বলা হয়ে থাকে। যেমন, ফিন্যান্স ম্যানেজার, একাউন্টস ম্যানেজার, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজার ইত্যাদি। স্থায়ী ম্যানেজারদের বেতন-ভাতাদি নির্দিষ্ট কোনো প্রজেক্টের উপর নির্ভর করে না। এদের তত্ত্বাবধানে থাকেন প্রজেক্টের অফিসাররা। স্থায়ী ভিত্তিতে কর্মরতদের কর্মক্ষেত্র এবং কাজের ধরন সাধারণত অন্যান্য সেক্টরগুলোর মতোই হয়ে থাকে।
এন্ট্রি লেভেল: নিয়োগপ্রাপ্তদের চাকরির প্রথম ৩ থেকে ৬ মাস প্রবেশনারি পিরিয়ড হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এন্ট্রি লেভেল এর জন্য সাধারণত Assistant Officer/ Assistant Program Officer/ Assistant Monitoring Officer, Associate officer পদে লোক নিয়োগ করা হয়ে থাকে। আবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান সরাসরি অফিসার পদে লোক নেয়। এসব পদ সাধারণত যারা মাস্টার্স শেষ করেছে, তাদের জন্য খোলা থাকে।আবার এস.এস.সি ও এইচ.এস পাশ করে যারা কাজ শুরু করতে চান, তাদের জন্য কিছু পদ রয়েছে, যেমন- Facilitator, Community Facilitator, Community Teacher, Community Mobilizer ইত্যাদি। এদের বেতন কাঠামো ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে থাকে। এদের কাজ হলো: স্থানীয় জনগণের সাথে সভা করা, এলাকায় ব্যবহারযোগ্য এমন সম্পদ যা জনগণ কাজে লাগাতে পারে- সেগুলোর মানচিত্র তৈরী করা, নির্দিষ্ট সময় পর পর প্রজেক্ট লিডারকে রিপোর্ট দেওয়া ইত্যাদি।
বেতন ও পদোন্নতি: এনজিও তে বেতন কাঠামো নির্ভর করে ঐ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালার উপর। আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো দেশি এনজিওগুলোর তুলনায় অপেক্ষাকৃত বেশি বেতন দিয়ে থাকে। এন্ট্রি লেভেলের কর্মীদের বেতন ১০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। কর্মীকে কোন্‌ এলাকায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার উপরেও অনেক সময় বেতনের পরিমাণ নির্ভর করে।
এন্ট্রি লেভেলে বেতন কম থাকে কারণ আদর্শগতভাবে এনজিও কোনো ব্যবসায়িক লাভের জন্য কাজ করে না। তাই এনজিওর লক্ষ্য থাকে কর্মীদের যত কম বেতন দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ উন্নয়নের কাজে লাগানো যায়। বেতন শুরুতে কম থাকলেও পরবর্তীতে পদোন্নতির সাথে সাথে বৃদ্ধি পাবে। এনজিওতে পদোন্নতির ধরনটা অন্যান্য সেক্টরগুলো থেকে অনেকটাই আলাদা। বেশিরভাগ এনজিওতে পদোন্নতি ‘সময় ভিত্তিক’ না হয়ে ‘পারফর্মেন্স ভিত্তিক’ হয়ে থাকে। ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোতে “Annual Performance Appraisal System” থাকে, যা বছর শেষে কর্মীদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন করে। তাই, অন্যান্য সেক্টরের মত এখানে একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করলেই পদোন্নতির নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না, বরং তা নির্ভর করে কর্মীর কৃতিত্ব ও কর্মদক্ষতার উপর।
চাকুরী পরিবর্তনের স্বাধীনতা:
অন্যান্য সেক্টর গুলোর তুলনায় এনজিও তে চাকরির পরিবর্তন খুব ঘন ঘন হয়ে থাকে। সাধারণত এই ধরণের পরিবর্তন এন্ট্রি লেভেল থেকে মিড লেভেল পর্যন্ত হয়। তবে উঁচু পজিশনে এটি খুব একটা দেখা যায় না। ‘প্রজেক্ট ভিত্তিক কাজ’ হওয়ার কারণে মিড লেভেল এবং এন্ট্রি লেভেলে চাকরি পরিবর্তনের হারটি তুলনামূলক বেশী। তবে এই ধরণের পরিবর্তন একজন কর্মীকে নানান অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দিয়ে থাকে, যা পরবর্তীতে তার ক্যারিয়ার গড়তে সাহায্য করে। এইচআর/ অ্যাডমিন/অ্যাকাউন্টস ইত্যাদি পদে কর্মরতদের কাজের ক্ষেত্র যেহেতু অন্যান্য সেক্টরগুলোর মতোই, তাই এই পদে থাকা কর্মীরা খুব সহজেই প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে অন্য কোথাও চাকরি নিতে পারেন। যারা এনজিওর কোনো প্রজেক্টে কাজ করেছেন, তারাও ভবিষ্যতে অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ নিতে পারেন।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas