1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী এ. কে আজাদ বাবলু বরগুনায় ‘মিথ্যা’ ধর্ষণ মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগে মানববন্ধন কলাপাড়ায় হামজার ধাক্কায় ৯ বছরের শিশুর মৃত্যু।। সারাদেশে সাংবাদিক হত্যা, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে পটুয়াখালী (বিএমএসএফ’র) কলম বিরতি কর্মসূচি। Facts About Internet Dating and the Safety Issues Related to it Free of charge African American Dating Sites and Products Just how do i Meet A lady Online? – Simple And Successful Ideas To Assist you to Meet Young girls You Have Anxiously Been Trying to find Internet dating – An overview of Online Dating Dating Online – The Basics of Online dating services How Do I Meet A female Online? – Simple And Powerful Ideas To Help You Meet Ladies You Have Anxiously Been Looking For

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী ২নং সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের আজিজা ম্যাডামের কোচিং বানিজ্য

  • আপডেট সময় শনিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১০৫ বার

বিশেষ প্রতিবেদক(কটিয়াদী)

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ডের পাশেই অবস্থিত ২ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। করোনা মহামারীর কারনে সারাদেশের মতোই বন্ধ রয়েছে এই বিদ্যালয়টি। অথচ এই বিদ্যালয়ের আজিজা ম্যাডাম নামে পরিচিত এক শিক্ষিকা উপজেলার পূর্ব গেট ও পশু হাসপাতালের পিছনে এক ভাড়া টিনশেড বাসায় গড়ে তুলেছেন সাইনবোর্ডবিহীন একটি বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টার। স্বাস্থ্য বিধি ও সরকারী নীতিমালা অমান্য করে নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩য় শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে পড়াচ্ছেন ব্যাচ আকারে প্রাইভেট। প্রতি ব্যাচেই রয়েছে ৩০-৪০ জন শিক্ষার্থী। বেতন নেওয়া হচ্ছে মাসিক ১০০০ টাকা বা তার বেশি। অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায় আজিজা ম্যাডাম কোচিং ম্যাডাম বলে পরিচিত এলাকায়। তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় কম নম্বর দেওয়া হয়। রোল নং পিছিয়ে দেওয়া হয় বিভিন্ন কৌশলে। অভিভাবকদের বাধ্য হয়েই সন্তানদের আজিজা ম্যাডামের কাছে পাঠাতে হচ্ছে প্রাইভেট পড়তে। বিশেষ করে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিশেষ পদ্ধতিতে জিম্মি করে রাখেন এই শিক্ষিকা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় পশু হাসপাতালের পিছনে জমি কিনে বহুতল আধুনিক ভবন নির্মান করছেন এই কোচিং ম্যাডাম আজিজা। তিনি ২ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হয়ে এসেছেন আনুমানিক ৬/৭ বছর আগে। এই কয়েক বছরে কোচিং বাণিজ্য করে সুকৌশলে মালিক হয়েছেন বিপুল পরিমাণ টাকার। করোনাকালীন সময়ে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ২টা অথবা দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ব্যাচ আকারে প্রাইভেট বাণিজ্য করছেন এই প্রাইমারী শিক্ষিকা। অথচ দুই/তিন মিনিট দুরত্বেই রয়েছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বা এসি ল্যান্ডের কার্যালয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন আমরা ম্যাডামের কাছে প্রাইভেট না পড়লে রোল নং দুরে চলে যাবে। তবে প্রকাশ্যে ম্যাডামের ভয়ে মুখ খুলতে রাজি নয় কেউ।

উল্লেখ্য কোচিং বা প্রাইভেট বাণিজ্য বন্ধে সরকারী নীতিমালা রয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী কোচিং হচ্ছে প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের শিক্ষকের নির্ধারিত ক্লাসের বাইরে, পূর্বে অথবা পরে শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে বা বাইরে কোনো স্থানে পাঠদান করা।
এতে আরও বলা আছে, শিক্ষকরা নিজ বাসভবনে বা কোনো বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না। এমনকি তারা ক্লাসরুম বা অতিরিক্ত ক্লাসের বাইরে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং বা প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। তবে অন্য প্রতিষ্ঠানের অনধিক দশজনকে কোচিং করাতে পারবেন।শিক্ষকরা কোচিংয়ে উৎসাহিত করতে পারবেন না। নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করালে তার এমপিও বাতিলসহ বিভাগীয় অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। নীতিমালা জারির পর অসাধু শিক্ষকরা কয়েকদিন বিরত ছিলেন। এরপর ফ্ল্যাটে ফ্ল্যাটে গড়ে তোলেন কোচিং বাণিজ্য। তারা নীতিমালা প্রতিপালন করেন না। এমনকি কোনো নিষেধাজ্ঞারও ধার ধারেন না।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas