1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। বরগুনায় ‘মিথ্যা’ ধর্ষণ মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগে মানববন্ধন কলাপাড়ায় হামজার ধাক্কায় ৯ বছরের শিশুর মৃত্যু।। সারাদেশে সাংবাদিক হত্যা, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে পটুয়াখালী (বিএমএসএফ’র) কলম বিরতি কর্মসূচি। কবিতা- নতুন লোকে কলাপাড়ায় ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নে উপনির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ দেলওয়ার নির্বাচিত।। রাজবাড়ী খানখানাপুর ইউনিয়নে মৃত, নাজু শেখ কে ঘিরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সংস্কারের অভাবে অস্তিত্ব বিলীনের পথে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান কানাই-বলাই দিঘী বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত” বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান বাউফলে সাংবাদিকের উপরে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন। মহিপুরে প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় একসঙ্গে দুই জনের বিষপানে প্রেমিকের মৃত্যু।

বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা।

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৭৮ বার

মোঃ নজরুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

বেনাপোল কাস্টমস এর হঠকারি সিদ্ধান্তে আমদানিকারকরা বেনাপোল স্থল বন্দর থেকে মুখ সরিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বেনাপোল স্থল বন্দরে পরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠা ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড ৩১ এর কাঁচা মাঠ থেকে আমদানিকৃত ফল, পিয়াজ,চাল,মাছ সহ অন্যান্য পচনশীল পণ্য ভারতীয় ট্রাক টার্মিনাল (টিটিআই মাঠ) স্থানান্তর এর জন্য বেনাপোল স্থল বন্দরকে চিঠি দিয়েছে কাস্টমস। টিটিআই মাঠে খোলা আকাশের নীচে রেখে ওই সব পচনশীল কাঁচাপণ্য খালাস করতে হবে ব্যাবসায়িদের। অপরদিকে ৩১ নং শেডে রাখা হবে টাটা হিরো হোন্ডা, ইয়ামাহ, টিভিএস ও রানার মোটর পার্টস ও রিকন্ডিশন মোটর পার্টস। আর রোদ বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হবে যে সব পণ্য সেসব পণ্য রাখা হবে ওই টিটিআই মাঠে। এমন সিদ্ধান্তকে হঠকারি সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন বেনাপোল বন্দরের ব্যাবসায়ীরা। সেই সাথে শ্রমিকরাও ওই শেডে পণ্য খালাস করবে না বলেও প্রতিবাদ করেছে।

বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারি আমদানি কারক রয়েল এন্টারপ্রাইজ এর সত্বাধিকারী এনায়েত আলী বাবু বলেন, ভারত থেকে পচনশীল এবং কাঁচাপণ্য রাখার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিত ভাবে তৈরী করেছে ৩১ নং শেড। যেখানে রোদ বৃষ্টিতে এসব আমদানি পন্যর গাড়ি শেডের নীচে রাখা হয়। অপরদিকে ভারতীয় ট্রাক টার্মিনাল মাঠে ওইসব পণ্য রাখা যাবে না। কারন ওই মাঠে কোন শেড নির্মান হয়নি। আমদানি পণ্য রাখতে হবে খোলা আকাশের নীচে।

আরকে ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী কামাল হোসেন বলেন, টিটিআই মাঠে কাঁচামাল পণ্য স্থানান্তর এর ফলে এই বন্দর থেকে ব্যবসায়ীরা ইতি মধ্যে চলে যাওয়ার ঘোষনা দিয়েছে। এটা একটি হঠকারি সিদ্ধান্ত। এর ফলে সরকার হারাবে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। এছাড়া ওই মাঠে প্রয়োজনীয় পণ্য খালাশের জন্য শ্রমিকদের জন্য নেই কোন পানির ব্যবস্থা, নেই কোন বাথরুম। শ্রমিকরাও সেখানে পণ্য খালাসের জন্য যেতে ইচ্ছুক না।

সিএন্ডএফ এজেন্ট আলেয়া এন্টারপ্রাইজ এর কর্মকর্তা মারফত আলী বলেন, ওই শেডে কাঁচা পণ্য নিলে ব্যবসায়ীদের লোকশান গুনতে হবে। সেখানে নেই নিরাপত্তার ব্যবস্থা। নেই শেড। রোদ বৃষ্টিতে ভিজে কাঁচা পণ্য নষ্ট হবে ফলে ব্যবসায়ীরা বেনাপোল বন্দর থেকে অন্য বন্দরে চলে যাবে।

বেনাপোল ৯২৫ এর হ্যান্ডলিং শ্রমকি ইউনিয়ান এর নেতা আব্দুল আলীম বলেন, কাঁচা মালের খালাস এর জন্য মাঠ পরিবর্তন এটা আতœঘাতি সিদ্ধান্ত। শ্রমিকরা ওই মাঠে যেয়ে পণ্য খালাস করতে পারবে না। সেখানে খোলা আকাশের নীচে রোদ বৃষ্টিতে ভিজে পণ্য খালাস করতে হবে। তাছাড়া সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার নেই। শ্রমিকদের জন্য সুপেয় পানি, বাথরুম এর ব্যবস্থা না থাকায় কি ভাবে কাজ করবে এটা ভাববার বিষয়।

বেনাপোল স্থল বন্দর এর ট্রাফিক পরিদর্শক লিটন আহম্মেদ বলেন, এতে ব্যবসায়িদের ক্ষতি হবে। কারন ভারতীয় ট্রাক টার্মিনালে পণ্য রাখার জন্য কোন শেড গড়ে উঠে নাই। ইতিমধ্যে অনেক ব্যবসায়ি চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের অতিরিক্ত কমিশনার ড. নিয়ামুল হোসেন বলেন এটা বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে যত পোর্ট আছে সেখানে ওপেন ইয়ার্ডে কাঁচামাল আনলোড করা হয়। কারন এসব পণ্য সাথে সাথে খালাস হয়। এ ব্যাপারে আজও আমরা মিটিং করেছি। ৩১ নং শেডে স্থায়ী পণ্য রাখা হবে। যেমন মোটর পার্টস, মোটর গাড়ি।

বেনাপোল স্থল বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবির তরফদার বলেন, পণ্য কোথায় পরিবর্তন করে রাখতে হবে তার একটি আইন আছে বন্দরের। আর এ সিদ্ধান্ত বন্দর কর্তৃপক্ষ নিবে। যে মোটর সাইকেল এর কথা বলে শেড পরিবর্তন করতে চাচ্ছে তার জন্য আলাদা শেড নির্মান করা যেতে পারে। এ সিদ্ধান্ত যদি অটল থাকে তবে সরকার যেমন রাজস্ব হারাবে তেমনি ব্যবসায়ীরাও অন্য বন্দরে চলে যাবে।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas