1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ১১:২৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বরগুনার এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু’র ঈদ শুভেচ্ছা কলাপাড়ায় ১৭৫০`শ পরিবারের মাঝে এমপি মহিব্বুর রহমানের ত্রান বিতরন। অসহায় হতদরিদ্র মানুষের জন্য আমরা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ।। রামুতে বিয়ারসহ এক মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫। লক্ষ্মীপুরে-কমলনগর বাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বীথিকা বিনতে হোসাইন। ৬ নং বুড়িরচর ইউনিয়নবাসিকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা কক্সবাজার লিংক রোড মেরিন হাসপাতালে এর এমডি ফেরদৌসের,উদ্যোগে ইফতারের , কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন কুতুপালং এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক।। কুয়াকাটা তরুণ মেধাবী কাউন্সিলর শহিদ দেওয়ানের ঈদ বস্ত্র বিতরণ পটুয়াখালীতে বজ্রপাতে নিহত ২.

বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃক শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধের কারণে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

  • আপডেট সময় সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ১২৪ বার

মোঃ নজরুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি।।

দেশের বৃহত্তর স্থল বন্দর বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃক শুল্কায়ন ও পণ্য পরীক্ষণে হয়রানির বন্ধের অভিযোগে ও প্রতিবাদে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন। এদিকে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধের কারণে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

সোমবার (১৯অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১১টা থেকে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের তিন নম্বর ও চার নম্বর গ্রুপের কাজ বন্ধ করে দেয় বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ কতৃর্পক্ষ।

জানা যায়, বাংলাদেশের সব কাস্টমস হাউসে ডাটাশিট ভ্যালু মানলেও ব্যতিক্রম শুধু বেনাপোলে। বেনাপোলে মিনিমাম ভ্যালু ডাটাশিট ভ্যালু বা রেফারেন্স ভ্যালু মানা হয় না। বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা রাজস্ব টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে ইচ্ছে মতো পণ্যের শুল্কায়ন মূল্য নির্ধারণ করেন। ফলে আমদানি করা পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করায় আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। আর এসব হয়রানির কারণে আমদানিকারকরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি ছেড়ে দিয়ে অন্যদিকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে কোনো নিয়ন কানুনের তোয়াক্কা না করে কাস্টমস কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি ও অনিয়ম করে আসছেন। এতে যেমন ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিকভাবে লোকশান গুণছেন, তেমনি দ্রুত পণ্য খালাস প্রক্রিয়া বিলম্ব হচ্ছে। বার বার এ অভিযোগ দিয়েও সমাধান আসেনি।কিছু অসাধু কাস্টম কর্মকর্তার কারণে।

অবশেষে প্রতিবাদ জানিয়ে শুল্কায়ন ও পরীক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানি করা পণ্যের একটি ফাইল গ্রুপে নিয়ে গেলে তারা তাদের ইচ্ছে মতো এইচএস কোড পরিবর্তন করে এবং ভ্যালু পরিবর্তন করতে চান। তারা আগের কোনো এইচএস কোড বা কোনো রেফারেন্স ভ্যালু ডাটাশিট ভ্যালু মানতে চান না। জোর করে তারা ১০ শতাংশের পণ্য ২৫ শতাংশে এ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ধরনের সমস্যাগুলো বেশি হচ্ছে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের তিন নম্বর ও চার নম্বর শুল্কায়ন গ্রুপে। বর্তমানে এই দু’গ্রুপে কর্মরত দুই কাস্টমস অফিসার এ ধরনের কাজ করে থাকেন বলেও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, বেনাপোল কাস্টমসের একটি পরীক্ষণ গ্রুপ ‘ইনভেস্টিগেশন রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইআরএম)’ কর্তৃক পণ্য পরীক্ষা নিয়েও রয়েছে নানা জটিলতা। আমদানি করা একই পণ্য এখন তিনবার পরীক্ষণ করতে হচ্ছে। প্রথমবার পরিদর্শক মাল পরীক্ষণ করে আসার পর সেই পণ্য দ্বিতীয়বার রাজস্ব কর্মকর্তা পরীক্ষণ করতে যাচ্ছেন। এরপর রাতে সেই একই পণ্য তৃতীয়বার পরীক্ষণে যান ডেপুটি কমিশনার। একই পণ্য তিনবার আলাদা আলাদাভাবে পরীক্ষণ করার কারণে লেবার খরচসহ অন্যান্য ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এতে আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, একই পণ্য তিনবার পরীক্ষণ করার কারণে সময় বাড়ছে। এছাড়া একটি পণ্য পরীক্ষণ করে তার প্রতিবেদন নিতে এখন সময় লাগছে সাত থেকে দশ দিন। অনেক সময় ১৫ দিনও সময় লেগে যাচ্ছে। এসব হয়রানির প্রতিবাদে আমাদের কোনো স্টাফ বেনাপোল কাস্টমস হাউসে কাজ করতে চাচ্ছেন না।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান বলেন, ‘কাস্টমসের কিছু কর্মকর্তা হয়তো ভালো ভাবে কাজ বোঝেন না, আর তাতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া অবৈধ সুবিধাবঞ্চিত হয়েও এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা এ কর্মবিরতীতে যোগ দিয়েছেন। তবে বাণিজ্য সম্প্রসারণের স্বার্থে চলমান সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে’।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas