1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:০১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। মৎস্য আড়ৎ ঘাটে বিরাজ করছে উৎসব মুখর পরিবেশ । আজ উদ্ভোধন মহিপুর ও আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র।। অতিরিক্ত মদপানে’ কক্সবাজারে বেড়াতে এসে মারা গেলেন ‘ছাত্রলীগ নেতা’ কক্সবাজার ভ্রমনে এসে ৭ বন্ধুর দুই জনের মৃত্যু, ৪ জন আটক যশোর জেলা বেনাপোল ভারত গমন গামী যাত্রীদের চলাচলের উপর শর্ত শিথিল ভারত থেকে চিকিৎসা দেশের ফেরত পর ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টযাত্রীর স্ট্রোক করে মৃত্যু হিলিতে হোটেলে কাজে না আসায় শ্রমিককে মারপিট করে আহত।। নোয়াখালী রিক্সা চালক হত্যার আসামী বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের হাতে আটক। আজ হাকিমপুরে বিনামুল্যে চক্ষু শিবিরের আয়োজন করলেন জনদরদী মোঃ কাওছার আলী।। মাদক মুক্ত করতে”বরগুনার এসপি জাহাঙ্গীর মল্লিক এর আল্টিমেটাম মশার কামড়ে অতিষ্ঠ জনজীবন, নিস্তার মিলছেনা আমতলী উপজেলাবাসীর!

নীলফামারীতে নদী খননে অনিয়ম, ৪৪ টি পয়েন্টে ভাঙ্গনভোগান্তিতে এলাকাবাসী।

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৬৬ বার



আব্দুর রশিদ,নীলফামারী প্রতিনিধি।।
নীলফামারী সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ৪ টি নদী ও ১ টি খাল ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩০ কিলোমিটার খনন কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জেলার খরখরিয়া, জমুনেশ্বরী, চিকলী, ধাইজান ও চারালকাটা নদী খনন করা হলেও পাড়, গাছ, ঘাস না লাগায় ৩ মাসের মাথায় ৪৪ টি পয়েন্টে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন। এসব এলাকার মসজিদ, মন্দীর, কবর স্থান, বাড়ি, স্কুল-কলেজ, রাস্তা-ঘাট, এলজিইডির দুটি ব্রীজ রয়েছে হুমকির মুখে। এদিকে ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ করা হলেও কাজের কাজ না হওয়ায় ভোগান্তিতে এলাকাবাসী।
সরেজমিনে নদী এলাকায় গেলে এলাকাবাসীর অভিযোগে দেখা যায় এসব অনিয়মের চিত্র। কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার মিজানুর রহমান, মাজেদা বেগম, আজাহারুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়সারা ভাবে চারালকাটা নদী খননের ফলে আমরা এলাকাবাসী খুবেই আতঙ্কে আছি। নদী ভাঙ্গনের বালু ফসলি জমিতে পরে এবারের ধান নষ্ট হয়েছে।
নজরুর ইসলাম বলেন, বাড়ি থাকি অকে দুরত ছিলো নদী। ভাইংতে ভাইংতে বাড়ির কাছত নদী আইসছে। ২-৩ বার বাড়ি সরে নিয়াও এবার আর বাঁচার উপায় নাই। কি করমো হামরা দিশায় না পাই।
এলাকার আম্বিয়া বিলাপ করে বলেন, নদী ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে বাড়ির গোরোত চলি আইসছে। দুই দিন পর বাড়িও থাইকবে না। হামরা পরিবার পরিজন নিয়ে খুবেই ভয়ের মধ্যে আছি। ঘরত এবার ধান চাউল ও তুলতে পারি নাই। কি খেয়া থাকমো হামরা।
ওই এলাকার মেম্বার মোঃ জোনাব আলী খাঁন বলেন, ডাঙ্গাপাড়া এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া চারালকাটা নদী দায়সারা খনন করায় এলাকারা মসজিদ, মন্দীর, কবর স্থান, বাড়ি, রাস্তা ঘাট, হুমকির মুখে আছে। এবারে এই নদী ব্যপক হারে ভাঙ্গতে শুরু করেছে। এই এলাকার আড়াই শত একর জমিতে বালু দিয়ে ভরপুর হয়ে গেছে। নদীর বালু ধান ক্ষেতে পড়ে ধান নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা প্রতি বছর আগাম আলু চাষ করে থাকি। এবার আলুও হবে না। আমার এলাকার মানুষ কি খেয়ে বাঁচবে ভেবে কুল পাচ্ছি না। এসব বিষয় নিয়ে আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে গেলে তারা বলেন, বাজেট আসলে কাজ হবে। কবে আসবে বাজেট, এলাকা বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এলাকারা একটি মাত্র রাস্তা মেরামতের জন্য কোন বাজেটও পাই নাই। আমার নিজ অর্থায়নে যতটুকু পারি রাস্তা মেরামত করি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন করলেও কোন রকম সারা পাই না। একটু বৃষ্টি হইলে আমরা বাড়ি থেকে বের হতে পারি না। তাই আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার অনুরোধ,এই এলাকার দিকে সু-দৃষ্টি দিয়ে এলাকার রাস্তাটি যেন সংস্কার করা হয়। সেইসাথে নদীর বাঁধ ও ব্লক করে দিয়ে এলাকাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য অনুরোধ জানাই।
জানতে চাইলে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণকমল চন্দ্র সরকার বলেন,সারা দেশের ন্যায় নীলফামারীতে ৬৪ জেলার অভ্যন্তরীন ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পূণঃখনন প্রকল্পের আওতায় আমরা ১৩০ কিলোমিটার ৪ টি নদী, খাল খনন করেছি। এসব নদী খনন করায় পার্শবর্তী এলাকার পানি গুলো নদীতে পতিত হচ্ছে। যার কারণে নদীর পানি প্রবাহের ধারা পরিবর্তন হওয়ায় ৪ নদীর ৪৪ টি পয়েন্টে ভাঙ্গনের দেখা দিয়েছে। এলাকার লোকজন এর আগে নদী ভাঙ্গনের সম্মুখীন না হওয়ায় একটু আতঙ্কের মধ্যে আছে। এর মধ্যেই আমি নদী ভাঙ্গন রোধকল্পে আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি প্রকল্প উপস্থাপনা করেছে।প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে আমরা নদী ভাঙ্গন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। কিন্তু নদী খননে অনিয়ম ও ঠিকাদারদের বিল পরিশোধের বিষয়টি তিনি কৌশলে এড়িয়ে যান।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas