1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের সাবেক এক ইউপি সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু।। কলাপাড়ায় ইউপি নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আট জন আহত। কলাপাড়া পৌর ছাত্রলীগ’র সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা চাঁদাবাজী মামলায় গ্রেফতার।। সাংবাদিক রেহেনার পরিবারকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৫লাখ টাকা প্রদান করায় বিএমএসএফের কৃতজ্ঞতা। রবিউল ও রায়হান হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবীতে দাদু ভাই ছইল ফাউন্ডেশনের উদ্দোগে মানববন্ধন। রামগঞ্জ কিশোর গ্যাং হাবিবের হাতে হামলার শিকার রিয়াজ উদ্দিনের বসত ঘরে।। বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃক শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধের কারণে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। তালতলীতে প্রচারণার শেষ দিন নৌকার প্রার্থীর মাইক ভাঙচুর। জাফলংয়ের ডাউকি নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার।। বাগেরহাটে ৭ বছরের শিশু ধর্ষনের বিচার মাত্র ৭ দিনে।ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

আত্রাইয়ে আলোচিত রফিক হাজীকে হত্যা করে সুমন বাহিনী।

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৯ বার

মোঃ শিফাত মাহমুদ ফাহিম,বিশেষ প্রতিনিধি:

নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় কিছুতেই যেনো থামছে না হত্যা খুনসহ সাধারণ মানুষদের উপর নির্যাতন নিপীড়ন।চলাম ২০২০ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১০/১২ জন হয় হত্যা সহ অপমৃত্যুর শিকার।

গত ১০।১০।২০২০ইং রোজ শুক্রবার বাদ এশার নামাজ পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া রফিকুল হাজী হত্যা রহস্য উন্মোচনের পথে বলে, জানিয়েছে প্রশাসনের এক কর্মকর্তা।তিনি বলেন হত্যার মূল কারণ টাকা ধার দেওয়াকে কেন্দ্র মূলত পরিকল্পনাকারী মেঃ সুমন হোসেন (৩০),পিতা আকতার হোসেন,সাং খোলাপাড়া
থানা আত্রাই,জেলা নওগাঁ।

হত্যার শিকার ঐ ব্যক্তি কাছ থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলো প্রায় ২ বছর আগে।ধারের টাকা গুলো যেনো ফেরৎ দিতে না হয় এই কারণেই হত্যা করা হয় তাকে।আর হত্যার সহযোগী হিসাবে ছিলো তার দোকানের কর্মচারীসহ বাহিরে ২/৩ জন।

পরিকল্পিত হত্যা মিশনে পুরো সহযোগীতা করে তার দোকানের কর্মচারী ও ভাড়াটিয়ে সন্ত্রস্ত্রীরা।হত্যার সূত্র প্রথমে সুমনের মোবাইল থেকে কল দিয়ে ঐ ব্যক্তিকে পাওনা টাকা দেবার কথা বলে বাদ এশার নামাজ শেষে মসজিদের পাশ থেকে ডেকে নিয়ে আসে।পরবর্তীতে তারা দোকানের ভিতর তুলে দোকানের সার্টার বন্ধ করে পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ী কয়েকজন দ্রুত মুখে কসষ্টেপ মারে ও তার ওপর মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে ফেলে যেনো চিৎকার না করতে পারে।সেই সাথে দ্রুত হাত-পা ও বেঁধে ফেলে সুমনের ভাড়াটিয়ে সন্ত্রাসীরা।

পরবর্তীতে তাদের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ঘটিয়ে লাশ জুতার বড় একটি বস্তায় তুলে কিছু সময় দোকানে রাখে, লোকজনের চলাচল কমে গেলে আনুমানিক রাত্রি ১১ টার সময় তারা লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়।লাশ ভাসিয়ে দিয়ে আসার পথে প্রশাসনের টহলরত্ব লোকজনদের সাথে দেখা হয়।তখন তাদের প্রশাসনের টহলরত্ব লোকজন জিজ্ঞেস করে এতো রাতে কি করো?

তখন হত্যাকারীরা বলে স্যার দোকানের মালপত্র গুছগাছ করলাম এই বলে দ্রুত চলে যে, যার অবস্থানে চলে যায়।পরবর্তীতে দু-দিন গত হওয়ার পরও নিখোঁজ ব্যক্তি বাসায় ফিরে না আসায় প্রশাসন ও ঘটনার রহস্য উন্মোচন করতে মাঠে নামে। সূত্রধরে ধরে প্রশাসন মিশন শুরু করে প্রথমেই হত্যার শিকার ব্যক্তির মোবাইল ফোনের কললিষ্ট বের করে প্রশাসন জানতে পারে শেষ কল সুমনের নাম্বার থেকে ঐ ব্যক্তির মোবাইলে আসে।কলের সূত্র ধরে প্রশাসন সুমনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসলে সুমন হত্যা ঘটনার সকল সত্যতা স্বীকার করে সুমন।এবং তার এই হত্যা মিশনে কারা তাকে সহযোগীতা করেছিলো সবকিছু স্বীকার করেছে বলেও জানান প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা।

স্বীকারোক্তি নেওয়া শেষ আজ ১২।১০।২০২০ইং রোজ সোমবার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas