স্বামীর অধিকার আদায়ে এবার তরুনীর সাংবাদিক সম্মেলন ॥

49

কলাপাড়াপ্রতিনিধি ঃ স্বামীর অধিকার না পেলে মৃত্যু ছাড়া তার আর কোন পথ থাকবেনা। রবিাবর রাতে কলাপাড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কাঁদো কাঁদো গলায় এসব কথা বলেন অনার্স পড়–য়া এক শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে পরিচয়, প্রেম, পর্যায়ক্রমে হুজুর ডেকে কলমা পড়ে বিয়ে করে কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের চারিপাড়া গ্রামের বায়েজিদ আহম্মেদ এবং চাকামইয়া ইউনিয়নের চুঙ্গাপাশা গ্রামের পিতৃহীন এক তরুনী। স¦ামী-স্ত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন বরিশালের অনেক হোটেলে রাত্রি যাপন করেছেন তারা। বর্তমানে পরিবারের চাপে প্রভাবিত হয়ে ওই তরুনীকে মেনে নিতে চাইছেনা বায়েজিদ।

লিখিত বক্তব্যে তরুনী বলেন, সে বরিশাল সরকারী মহিলা কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। আর বায়েজিদ নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়রিং শাখার একাদশ সেমিষ্টারের ছাত্র। ২০১৯ সালের ১৫ই জানুয়ারী বায়েজিদ তাকে কাজি ডেকে বিয়ে করে। বর্তমানে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করায় ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর স্বামীর দাবি নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে যায় ওই তরুনী। পরে স্থানীয় মকবুল দফাদারের মাধ্যমে কাবিন করার কথা ছেলের মামা ফয়সাল তাকে কলাপাড়া এনে সালিস বৈঠক বসান। সেখানে তারা কাবিনের বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে তরুনীকে বড় অংকের টাকার প্রস্তাব দেন। যাতে বিয়ের বিষয়টি পুরোপুরি ভুলে যায়। তাদের প্রস্তাবে রাজি না হয়ে দ্বিতীয় বারের মত সে তার অধিকার আদায়ের জন্য আবারও শ্বশুর বাড়ি যায়। পরে তার শ্বশুর নজির হাওলাদার তার সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করে। সে তাকে তার বাড়ি থেকে কলাপাড়ায় আনার জন্য অনেক চেষ্টা করেন। পরে তরুনী রাজি না হওয়াতে সুষ্ঠ সমাধানের কথা জানিয়ে কলাপাড়া থানার এএসআই শওকত জাহানের মাধ্যমে তাকে থানায় নিয়ে আসে। থানার আনার পরে তারা বলে তাদের কিছুই করার নেই। বিষয়টি নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আছে। এছাড়া বিষয়টি তাদের গ্রাম ও কলেজের সবাই জেনে গেছে। সে কারনে সে কারও কাছে মুখ দেখাতে পারছেনা। তাই স্বামীর অধিকার আদায়ের জন্য তিনি প্রশাসনসহ সবার সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এবিষয়ে বায়েজিদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার পিতা নজির হাওলাদার জানান, তার ছেলের সঙ্গে ওই তরুনীর বিয়ে হয়নি। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য সে তাদের ব্লাকমেইল করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here