ঝাটকা ইলিশের ছয়লাভ আলিপুর, মহিপুর ও কুৃয়াকাটা মৎস বন্দরে।

81

আমাদের কুৃয়াকাটা ডেস্কঃ, আলিপুর ও কুৃয়াকাটায় ঝাটকা ইলিশের ছয়লাভ, হাত বাড়ালেই মিলে ঝাটকা ইলিশ। সরকারীভাবে ঝাটকা ইলিশ ধরা ও বিক্রী করা আইনী নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তার কোন তোয়াক্কা করছেনা ঝাটকা সেন্টিগেটের ব্যাবসাহিরা । তথ্য সূত্রে জানা যায়, এধরনের অসাধু মাছ ব্যাবসায়ী প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন যাবত এ ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

অনুসন্ধানে উন্মোচিত হয় রাজনৈতিক দলীয় কর্মীর মুখোশ ও বেরিয়ে এসেছে এ অবৈধ ব্যাবসার চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য আমাদের কাছে এসেছে । এ ব্যাবসার সাথে জড়িয়ে রয়েছে অবৈধ মাছ ব্যাবসায়ী ও আড়ালে থাকা রাজনীতিবীদ। এদের মধ্যে অবৈধ মাছ ব্যাবসায়ী হিসেবে পরিচিত অনেকে। যিনি গত সরকার আমলে মৎস বন্দর মহিপুর, আলিপুরে ক্ষমতার ধাপটে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার জাটকা ইলিশ ধরা ও বিক্রী করা উভয়ই অপরাধের শামিল ঘোষনার পরেও এ অসাধু ব্যাবসায়ী দাপটের সাথে চালাচ্ছে অবৈধ প্রন্থায় ঝাটকা ইলিশ মাছের রমরমা ব্যাবসা।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে মহিপুর এলাকায় ঝাটকা ইলিশ বিক্রী হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে কুৃয়াকাটা নৌপুলিশ ফাড়ির পুলিশ এক ব্যাবসাহির মজুদ থাকা ঝাটকা ইলিশ মাছ আটক করে। এসময় মজুদ থাকা প্রায় ৮০০ কেজি ঝাটকা জব্দ করে কুৃয়াকাটা নৌপুলিশ ফাড়ির ইচার্জ মোঃ কামরুল । কিন্তু এব্যাপারে কাউকে আটক কিংবা মামলা রুজু হয়নি।

সরেজমিনে পরির্দশনে গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি আমাদের কুৃয়াকাটা ডটকমে জানায়, প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রায় সময় ঝাটকা ইলিশ বেচাকেনা হয়ে থাকে। এঘটনা নতুন কিছু নয়। এঘটনায় যেন কোন মামলা না হয় এজন্য কুৃয়াকাটা নৌ-ফাড়ির কর্মকর্তা, মহিপুর থানা ও কোষগার্ডদেরও মোটা অংকের মাধ্যমে অসাধু ব্যাবসায়ীরা এই ব্যাবসা পরিচালনা করেন। এ বিষয়ে মহিপুর থানায় যোগাযোগ করলে থানা ইনচার্জ জানান, সরকার ঘোষিত এ অভিযান চলবে তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here