1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আযহা।। কুয়াকাটা পৌরসভায় ১৬ ’শ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে চাল বিতরণ কুয়াকাটায় কন্যাদ্বায়গ্রস্ত পিতার পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সোহাগ।। বঙ্গবন্ধুর নামে ৮ টি গরু ২টি মহিষ কোরবানী দিবেন কুয়াকাটা পৌর মেয়র। পটুয়াখালীতে করোনায় আরও তিন জনের মৃত্যু।। কুয়াকাটায় ৩ হাজার পেলো প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা। ২৪ ঘন্টায় করোনা আপডেট নওগাঁ জেলায় আরও ২ ব্যক্তির মৃত্যুঃ মোট মৃত্যু ১১১ জনঃ নতুন আক্রান্ত ৫৬ জন দশমিনায় তিন ইউপি সদস্যদের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত

বাউফলে মিজানুর রহমান টিটু ও সৈয়দ আরিফের বিরুদ্ধে অন্যের জমি দখলের অভিযোগ

  • আপডেট সময় বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৩৫ বার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ঃ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া গ্রামের ধুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মিজান পার্কের সত্ত্বাধীকারী মিজানুর রহমান টিটু ও তার সহযোগী সৈয়দ আরিফুর রহমান এর বিরুদ্ধে অন্যের জমি জোর পুর্বক দখল সহ সাধারন মানুষকে অত্যাচার ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে হয়রানির চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, মিজানুর রহমান টিটু একজন স্বর্ন চোরা চালানকারী ও কালোবাজারি। তার কালো টাকার পাহাড় ধানমন্ডি সহ রাজধানীর কয়েকটি স্থানে রয়েছে বিলাসবহুল বাড়ি, রয়েছে রাজধানীতে জুয়েলারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নিজ গ্রামে বিলাসীতার জন্য প্রায় ৫ একর জমির উপরে তার কাটার বেড়া দিয়ে ঘেরা দেয়া মিজান পার্কের বেশিরভাগ জমি জোর পুর্বক দখল করে নিয়ে এই পার্ক তৈরী করেন। এমন কি তার পার্কের সামনের স্কুলের নামে বরাদ্দকৃত জমিও রয়েছে এই মিজান পার্কের ভেতরে। আর এ সমস্ত অপকর্মের নাটেরগুরু সৈয়দ আরিফুর রহমান মাষ্টার নামে এক বহিরাগত ব্যাক্তি যার নিজ ইউনিয়ন কনকদিয়া রাজত্ব করছেন ধুলিয়া গ্রামে। একই সঙ্গে ধুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত থেকে কিভাবে পার্ক পরিচালনা করছেন এবং একাধিক মামলায় অভিযুক্ত থাকার পরও চাকরিতে বহাল রয়েছে এমন প্রশ্ন উঠে এসেছে স্থানীয়দের অভিযোগে। মিজানুর রহমান টিটু কালো টাকা আর ক্ষমতার জোরে সৈয়দ আরিফুর রহমান সহ কথিত সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি করে সাধারণ মানুষকে প্রাণ নাশের হুমকি ও প্রশাসন দিয়ে পেন্ডিং মামলায় আসামি করে জেল হাজতে পাঠানোর হুমকি দিয়ে জোর পুর্বক জমি দখল করেন। তিনি ৩৬ লক্ষ টাকা দিয়ে ৬ টি বিদেশী কুকুর পালন করেন এবং এই কুকুরের মল পাশে মানুষের ব্যবহৃত পুকুরে ফেলে যার ফলে পুকুরের পানিতে বিভিন্ন রোগ জীবানু ছড়ায় এবং এই পুকুরের পানি কেউ ব্যবহার করতে পারে না। এই মিজানের নির্যাতনের স্বীকার হয়ে নীরহ একটি পরিবার দেশ ত্যাগে বাধ্য করেন। একই বাড়ির এনায়েত হোসেনের জমি দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্ছেদ এবং তাকে জিব্বা কেটে ফেলে দেয়া সহ প্রশাসন দিয়ে পেন্ডিং মামলায় আসামি করে দেশছাড়া করার পায়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ আছে।
জান যায়, মিজানুর রহমান টিটুর অবর্তমানে সব কিছু আরিফের নিয়ন্ত্রনে থাকে, তাই ভয়ে মুখ খুলতে পারছেনা ভুক্তভোগী পরিবার গুলো। তাছাড়াও আরিফ মাষ্টার এর বিরুদ্ধে কয়েকবার থানায় অভিযোগ হলেও কোন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বরং উল্টো অভিযোগকারীদের হুমকি ধামকি দিয়ে চলেছেন। মোঃ হাবিবুর রহমান গত ১৫.১.২১ইং তারিখ আরিফুর রহমান (৪৩) সহ আনিচুর রহমান জুয়েল(৩৫), মিজানুর রহমান টিটু (৫৫) এর নামে বাউফল থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেন, যার ডায়রী নং-৬৫১। মোঃ এনায়েত হোসেন গত ১৮.০৯.২০ইং তারিখ মিজানুর রহমান টিটু ও আরিফুর রহমান এর বিরুদ্ধে বাউফল থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেন, যার ডায়রী নং-৮১৮। এছাড়া তাদের নামে রয়েছে একাধীক অভিযোগ ও মামলা।
এবিষয়ে এনায়েত হোসেন বলেন, আমাকে দীর্ঘ ৮ বছর থেকে মিথ্যে মামলা দিয়ে জমি দখলের পায়তারা চালাচ্ছে। মিজানুর রহমান টিটুর অত্যাচারে এলাকার অনেকই অতিষ্ঠ এমন দৃশ্য হিসেবে তার বাড়ির চতুর্থ দিকে কাটাতারের বেড়া দেয়া রয়েছে দেখিয়ে বলেন, বর্তমানে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জায়গা দখলের পায়তারা চালাচ্ছে।
জমি দখল নিয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী হেদায়েত হোসেন খানঁ, মালেক হাওলাদার, আবুল হোসেন, হেলাল উদ্দিন আহমেদ, শাহাবুদ্দীন আহমেদ, মেনাজ উদ্দিন আহমেদ, শফিজ উদ্দিন, সুলতানা রাজিনুর রীনা বেগম, আলাউদ্দিন, হেমায়েত উদ্দিন আহমেদ, আব্দুল মান্নান হাওলাদার ও এস এম আলাউদ্দিন বলেন, আমাদের পত্রিক সম্পত্তি দখল করে যে পার্ক নির্মান হয়েছে সেটা এখন পরিনত হচ্ছে মাদকের আখড়ায় এমনকি দুর দুরন্ত হতে লোকজন এসে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হচ্ছে। এছাড়াও বন্যপ্রাণী হরিণ পালার জন্য করা হয়েছে স্থান যা বন্যসংরক্ষন আইনে অপরাধ। তাছাড়াও আমাদের জমিতে গেলে মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
মিজানুর রহমানের অত্যাচারে শিকার আরেক ভুক্তভোগী বিধবা অসহায় নারী মোসাঃ সুলতানা রাজিনুর (রীনা) বলেন, ২০১৫ সালে মিজান ও আরিফের অত্যাচার সহ্য না করতে পেরে হার্ড স্ট্রোক করে আমার স্বামী মারা যায়। এরপর আমাকে ও আমার সন্তানদের মেরে ফেলতে বহু চেষ্টা চালায়। সিমাহীন অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ২০১৬ সালে আইনের দারে দারে ঘুরে কোন সুব্যবস্থা না পেয়ে চাকুরী ছেড়ে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হন বলে জানান।
এব্যাপারে মিজানুর রহমান (টিটু) এর সাথে কথা বলার জন্য তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ফ্যামিলি ট্যুরে আছি আপনার প্রশ্নের উত্তর এখন নয়, পরে দিবো বলে কল কেটে দেন।##

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas