1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আযহা।। কুয়াকাটা পৌরসভায় ১৬ ’শ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে চাল বিতরণ কুয়াকাটায় কন্যাদ্বায়গ্রস্ত পিতার পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সোহাগ।। বঙ্গবন্ধুর নামে ৮ টি গরু ২টি মহিষ কোরবানী দিবেন কুয়াকাটা পৌর মেয়র। পটুয়াখালীতে করোনায় আরও তিন জনের মৃত্যু।। কুয়াকাটায় ৩ হাজার পেলো প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা। ২৪ ঘন্টায় করোনা আপডেট নওগাঁ জেলায় আরও ২ ব্যক্তির মৃত্যুঃ মোট মৃত্যু ১১১ জনঃ নতুন আক্রান্ত ৫৬ জন দশমিনায় তিন ইউপি সদস্যদের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত

মৎস্যবন্দর মহিপুরে খালের পাড় দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণঃ ডিসিআর বাতিলের নির্দেশ।

  • আপডেট সময় সোমবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৭৬ বার

বিশেষ প্রতিনিধি।।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া মৎস্যবন্দর মহিপুরে খাপড়া ভাঙ্গা নদীর পাড় দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে শতাধিক স্থাপনা। নদীর পাড়কে পেরিবেরী ম্যাপে অন্তর্ভূক্ত করে একসনা ডিসি আর দেয়ার মাধ্যমে নদী দখলের বৈধতা দিয়েছেন স্থানীয় ভূমি কর্তৃপক্ষ। এক সময়ের খরস্রোতা শিব বাড়িয়া নদী (খাপড়াভাঙ্গা) নদী আজ দখল দূষণে মরা খালে পরিনত হয়েছে। বাংলাদেশ নদী কমিশন নদীর অবৈধ দখল মুক্ত করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জগবন্ধু মন্ডল নদীর পাড় দখল মুক্তে মহিপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ আজিজুর রহমান কে নির্দেশ দিয়েছেন। নদীর পাড়ের সকল ডিসিআর নবায়ন বাতিল এবং নতুন ভাবে ডিসিআর দেয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জগবন্ধু মন্ডল।
মৎস্যবন্দর মহিপুরে প্রতিনিয়ত স্থানীয় প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে এসব স্থাপনা নির্মাণের কাজ। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী ও ভূমি প্রশাসনের পরোক্ষ সহযোগিতায় ডিসিআর বানিজ্য চলে আসছিল। নদী দখল মুক্তের এমন উদ্যোগে স্থানীয় সাধারণ মানুষ সহ নদী প্রেমীরা ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভূমি প্রশাসন কে।

জানা গেছে, মহিপুর মৎস্যবন্দরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রায় ১০ একর জমি রয়েছে। এরমধ্যে ভূমি অফিসের রয়েছে ৯ দশমিক ২৩ একর জমি। মোট জমির প্রায় ৮০ শতাংশ জমি প্রভাবশালী মহলের দখলে রয়েছে। এছাড়া সড়ক ও জনপদ বিভাগের শেখ রাসেল সেতুর নিচের জমি দখল করে প্রায় অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।

এদিকে ভূমি অফিসের একমাত্র খাস পুকুরটি দখল করে তোলা হয়েছে প্রায় অর্ধশত দোকান ঘর। বর্তমানে অনেক স্থাপনা নির্মাণধীন। এসব স্থাপনার কাজ চলছে দিনে দুপুরেই। মহিপুর বাজারের পানি উন্নয়ন বোর্ডের কালি বাড়ি পুকুরের চার পাশ দখল করে প্রায় কয়েকশ’ আবাসিক বাড়ি ঘর ও দোকান ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এরমধ্যে প্রভাবশালী এক জনপ্রতিনিধির চার তলা ভবনও রয়েছে।

অপরদিকে শেখ রাসেল সেতুর স্লোপসহ সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গা দখল করে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা তোলা হয়েছে। শেখ রাসেল সেতুর স্লোপে বর্তমানে অনেক স্থাপনা নির্মাণাধীন রয়েছে। মহিপুরের শিববাড়িয়া ফেরিঘাটে নদী দখল, মধ্য বাজারসহ বেশ কয়েকটি স্থানে কয়েকশ পাকা, আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মহিপুর বাজারের বিভিন্ন স্থানে সরকারি জমি দখল করে ঘর তোলার হিড়িক চলছে। অভিযোগ রয়েছে চান্দিনা ও টোয়া ভিটিতে নিয়মবহির্ভূত ভাবে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছে।

জরুরি ভিত্তিতে এসব স্থাপনা তোলার কাজ বন্ধ সহ নতুন ডিসিআর না দেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মহিপুর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি সত্তার হাওলাদার বলেন, প্রকাশ্যেই এসব অবৈধ স্থাপনা তোলা হয়েছে।
এর ফলে বাজারের পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

মহিপুর এসআর ও এস বি এস লিমিটেডের সভাপতি জানান, তাদের সমিতির সামনে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা তুলেছে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। এভাবে মহিপুর বাজারের বিভিন্ন স্থানে সরকারি জমি দখল করে কয়েকশ’ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। আবার অনেক স্থানে স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে।

মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আজিজুর রহমান (তহশিলদার) বলেন, পূর্বতন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তারা এক বছরের বন্দোবস্ত দিয়ে গেছেন। আর এ সুযোগ কাছে লাগিয়ে বন্দোবস্ত গ্রহীতারা পাকা স্থাপনা তুলেছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহায়তায় একের পর এক নতুন স্থাপনা উঠছে। এর বিরোধিতা করায় আমার পূর্বতন কর্মকর্তাকে ন্যাক্কারজনক ভাবে বিদায় নিতে হয়েছে। আমি যোগদানের পর সকল বিষয় । ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি।

কলাপাড়া উজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎ বন্ধু মন্ডল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন, আমি এসব বিষয় তো কিছুই জানিনা এটা কথা হল বাংলাদেশ সরকারের নদী দখলের মহোৎসব সমস্ত ডিসিআর নিবন্ধন বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান স্থানীয় তহসিলদার কে। তিনি আর বলেন, মহিপুরের যে সমস্ত খাস পুকুর ও খাস জমি বেদখল হয়ে গেছে তা উদ্ধারে খুব দ্রুত এবং জোরালো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে কোন প্রভাবশালীকেও ছাড় দেয়া হবে না।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas