1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। বঙ্গোপসাগরে নৌ পুলিশের অভিযানে ১৬ জেলে আটক, ৪ ট্রলার মালিককে জরিমানা । কলাপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মৎস্য বন্দর আলিপুরে ট্রলার মালিক ও মাঝি সমিতির বিক্ষোভ মিছিল মহিপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযান,২ লাখ ৫০ হাজার বাগদা চিংড়ি রেনু জব্দ কুয়াকাটায় বিশ্ব সমুদ্র দিবসে জীব বৈচিত্র্য রক্ষার দাবি। ‘ও কিসের সাংবাদিক’? রাঙ্গাবালীতে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যবসায়ীর ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ছিনতাই রাজবাড়ীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকে বাজেট কে স্বাগত জানিয়ে গোয়ালন্দে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় রাজবাড়ীতে গোয়ালন্দে গুরু খামারিদের মাঝে প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয় কলাপাড়ায় প্রানীসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত ॥ কলাপাড়ায় ধর্ষনের নিউজ করায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি।

মেশিনের মুড়ির দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাতে ভাজা দেশী মুড়ি।

  • আপডেট সময় শনিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১১৯ বার


পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

আধুনিকতার ছোয়া পড়েনী এমনটা বলা বাহীল্য গ্রাম বাংলার প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে শুরুকরে উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে সবজায়গাতেই। তেমনিভাবে আধুনিক যান্ত্রিক ব্যবস্থায় মানুষের জীবনমানের অগ্রগতির পথে আজ প্রাচীন ঐতিহ্যের বিলুপ্ত প্রায় হাতে ভাজা দেশি মুড়ি। কালের পরিক্রমায় আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় বর্তমানে কারখানায় মুড়ি উৎপাদিত হওয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার সুস্বাদু হাতে ভাজা দেশি মুড়ি।

তেমনিভাবে বেকার হয়ে পড়েছেন হাতে ভাজা মুড়ির ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট গ্রামের লোকজন।
পটুয়াখালী জেলায় কয়েক বছর আগেও বিভিন্ন উপজেলার সহস্রাধিক পরিবার সারা বছর মুড়ি বিক্রি করে সংসার চালাতেন। শীতের আগমন বার্তার আগেই গ্রামগুলোতে মানুষের ব্যস্ততা বেড়ে যেতো। স্থানীয় বাজার থেকে মুড়ির ধান সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাত করে তারা মুড়ি ভাজতেন নিজ নিজ বাড়ীতে ।পরিবারের সবাই ব্যস্ত থাকতেন এ কাজে।

দেখাযাচ্ছে, এখন আর বাড়িতে বাড়িতে মুড়ি ভাজা হয় না। কারণ মেশিনের মুড়ির দাম সস্তা থাকায় হাতে ভাজা মুড়ির বাজার এখন তাদের হাতছাড়া হয়ে গেছে। ফলে তাদের অনেকেই পেশা পরিবর্তনে বাধ্য হয়ে বিকল্প কর্মসংস্থানের দিকে ধাবিত হচ্ছেন।

অথচ কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে এ শিল্প।

সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখামেলে, পটুয়াখালী সদর উপজেলা আউলিয়াপুর গ্রামের ববিতা রানী সাহার সাথে মুখোমুখি হলে তিনি বলেন, আগে আমরা নিজেরা মুড়ি ভাজতাম এবং ঘড়ের পুরুষ লোক ব্যাবসা করতেন কালের বিবর্তনে এখন আমরা মুড়ির ব্যাবসা করি না তবে এখন গ্রামের লোকজন আমাদের চাল দিয়ে যায় মুড়ি ভাজার জন্য সেই চাল থেকে আমরা মুড়ি ভেজে দেই তা থেকে কিছু টাকা আমাদের রোজগার হয় তাই দিয়ে কোন মতে টানা পড়েন সংসার চলে যায়। তবে সরকার যদি আমাদের দিকে একটু নজর দিন তা হলে হয়ত এ ঐতিহ্যবাহী হাতে ভাজা মুড়ির প্রচলনটা ধরে রাখা যেত,এমনটাই জানালেন তিনি।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas