1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। বরগুনা সদর থানার তদন্ত ওসির উদ্যোগে অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ এনজিও( NGO) তে কেরিয়ার গড়তে মানুসিক প্রস্তুতি সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ । এনজিওতে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে তারা অন্যান্য সেক্টরের রিসার্চ বিভাগে কাজে লাগাতে পারেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনায় বন্ধ ছয়টি ট্রেন প্রকল্প চালুর দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। মধুখালীতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানমের মৃত্যুতে শোক সভা অনুষ্ঠিত। চাপাইনবয়াবগঞ্জ দোয়া মাহফিল ও শীত বস্ত্র বিতরণের মধ্যে দিয়ে মরহুম বাচ্চু ডাঃ এর ১২ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত। পায়রা বন্দরের ৭৫ কিমি দীর্ঘ রাবনাবাদ চ্যানেলের নাব্যতা বজায় রাখতে জরুরি রক্ষণাবেক্ষন ড্রেজিং উদ্বোধন। মেশিনের মুড়ির দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাতে ভাজা দেশী মুড়ি। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী ২নং সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের আজিজা ম্যাডামের কোচিং বানিজ্য আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আমিনুল ইসলাম সোহাগ ডোর টু ডোর ক্যাম্পেইন নিয়ে ছুটে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে।

থানায় সম্পর্ক রেখে সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

  • আপডেট সময় বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৫৬ বার

বরগুনা প্রতিনিধিঃ থানায় সম্পর্ক রেখে সাধারণ মানুষকে হয়রানি সহ হুমকি দিচ্ছেনএক ইউপি সদস্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন কমতি নেই আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে তার নির্বাচনের বিরোধিতা করলে তাকে থানার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন রকমের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন, এমনকি মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছেন, স্থানীয়রা তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছেন।

বরগুনা সদর উপজেলার ৪ নং কেওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য লিটন মৃধা ২০১০ সালে নির্বাচিত হয়। দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচন করেন ২০১৫ সালে নির্বাচনে হেরে যান লিটন মৃধা হেরে যাওয়ার পরেই শুরু হয় তার তাণ্ডব, যারা তার নির্বাচন করেননি তাদেরকে মারধর করে। তার সহযোগীরা।

স্থানীয়রা বলেন, বিভিন্ন সময় ওরেন্টের কথা বলে অনেক মানুষকে হয়রানি করেছে। তার নির্বাচন না করলে মারধর করেন। থানার সাথে ভালো সম্পর্ক থাকায় তার কথা না শুনলে পুলিশের কথা বলে হয়রানি করে।

প্রতারণার শিকার রফিক বলেন, লিটন মেম্বার বলে তোমার ছোট ভাই সাগর নামে একটি মামলায় অরেন্ট হয়ে আছে ওকে একটু সেইভে থাকতে বল। আমি থানা ম্যানেজ করে দেব। এই কথা শুনে আমাদের খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে দোকানপাট বন্ধ করে আমার ছোট ভাই পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। থানায় খোঁজ নিয়ে দেখা যায় আমাদের নামে কোন মামলা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে জানাজানি হলে। লিটন মেম্বার এ বিষয়টি বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেন।

হারুন মৃধা বলেন, লিটন মেম্বার এর পাশেই আমাদের বাসা আমাদের ফসলি জমি তাদের হাঁস মুরগি দিয়ে নষ্ট করে আমরা কিছু বলতে গেলে আমাদের খুনের হুমকি দেয় বিভিন্ন সময়ে আমাদের বাড়ি পুলিশ পাঠিয়ে আমাদেরকে হয়রানি করেন, থানার সাথে ভালো সম্পর্ক থাকায় আমার ছেলেকে বিভিন্ন মামলায় সংযুক্ত করেন।

আলতাফ মুন্সি বলেন, বিগত দিনে দুই নির্বাচন তার হয়ে কাজ করেছি তার কর্মকাণ্ড দেখে এই নির্বাচনে ব্যক্তির স্বাধীনতা হিসেবে যোগ্য প্রার্থীকে বেছে নিতে চাই তাই আমি তার নির্বাচন না করায় আমাকে প্রকাশ্যে হুমকি, দোকানে বসে গালাগাল ও দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।বিভিন্ন সময় আমাদেরকে হয়রানি করে আসছেন এই সাবেক মেম্বার। আমরা এই থেকে মুক্তি চাই।

খালেক বলেন, গত নির্বাচনে লিটন মৃধা হেরে যাওয়ায় যারা তার নির্বাচন করেননি তাদেরকে মারধর করে একপর্যায়ে আমার দোকানে উঠে আশ্রয় নেয় তাতে ক্ষান্ত হননি তার লাঠিয়াল বাহিনী আমাকেও মারধর করেন। এখনো আমি সেই ব্যথায় ভুগতেছি, হাজার হাজার টাকার ঔষধ করালেও সেই খরচা লিটন নাম্বার দেন নি আমাকে।

অভিযুক্ত লিটন বলেন, আমার কাছে পুলিশ এসে একজনের নাম জিজ্ঞেস করলে আমি সেই ব্যক্তির সাথে কথা বলেছি। তবে ওয়ারেন্টভুক্ত সে আসামি এমন কথা আমি বলিনি। যারা আমার বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ করেছে সম্পূর্ণ মিথ্যা।

এ এস আই বাসার বলেন, আমি ঐ এলাকার ২/৩ ব্যক্তির তথ্য জানার জন্য দুই একজন জনসাধারণের কাছে জিজ্ঞেস করেছি। তবে মেম্বারকে আমি চিনি। তবে তার সাথে আমার কারো ওয়ারেন্টের বিষয় কোন কথা হয়নি।লিটন মেম্বার পুলিশের নাম বিক্রি করে যে অপরাধ করেছে এটা আইনি প্রক্রিয়ায় একটি বড় ধরনের অপরাধ।

বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ কে. এম. তারিকুল ইসলাম বলেন,এই হয়রানির বিষয় আমার জানা নেই! তবে যদি আমাদের কেউ এই হয়রানির সাথে জড়িত থাকে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। তিনি আরো বলেন ,লিটনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডাকা হয়েছে, ঘটনার সত্যতা প্রমাণ মিললে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas