1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। গণ অধিকার রক্ষার জন্য নতুনধারা : মোমিন মেহেদী বরগুনা জেলার আমতলী থানা হতে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার কলাপাড়ায় সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী মোঃ শাহাবুদ্দিন ও তার পিতা বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা হাকিমপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র কাউন্সিলর ও মহিলা আসনের প্রার্থীদের চলছে দৌড়-ঝাপ নোয়াখালী বেগমগঞ্জে হত্যা মামলার আসামী খুন। রাঙ্গাবালীতে জমিজমার বিরোধে মারধর ও হত্যার হুমকি কলাপাড়ায় টমটম উল্টে গাছ চাপায় নিহত-১ এবং আহত-১ কুয়াকাটায় সাঁতার কাটতে গিয়ে পর্যটকের মৃত্যু পটুয়াখালীতে বিএমএসএফ’র নতুন কমিটি গঠন। বিয়ের প্রলোভনে মাসের পর মাস ধর্ষণ অতঃপর দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা; ভ্রুন হত্যার অভিযোগ

বরগুনায় ধানকাটাকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে গুরুতর আহত- ৭, গ্রেফতার-১

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৬১ বার

সাইফুল ইসলাম জুলহাস (স্টাফ রিপোর্টার)

বরগুনা উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের ফুল ঢলুয়া গ্রামে মামলা চলমান মুহূর্তেই জমিতে ধানকাটাকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি সংঘর্ষে দু’গ্রুপের সাতজন গুরুতর আহত হলে তাদেরকে পুলিশ উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাদের মধ্যে একজনকে চিকিৎসারত ডাক্টর বরিশাল শেরে-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন।
ঘটনা সূত্রে জানাযায়, একই বংশের মৃত গনি মীরের পুত্র মোঃ দেলোয়ার মীর(৫০), রাসেল মীর (৩৫), হানিফা(৪৫) মৃত জালাল মীর এর ছেলে মোঃ আনোয়ার (৫০), জাফর মীর (৪৫), জলিল (৩৬)। ও মৃত আছমত আলি মীর এর পুত্র মোঃ মমিনদ্দিন মীর। জে এল ৩৫নং ঢলুয়া মৌজার আর এস ৮৪নং খতিয়ানে ১২-১৬ একর জমি। ১০৩/১নং খতিয়ানের জমি  দু’পক্ষই পূর্ব- পুরুষের ওয়ারিশ দাবি করে আসতেছে। এই জমিকে কেন্দ্র করে  আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনে প্রায় ২/৩টি মামলা চলমান মুহূর্তে সোমবার সকালে আনুমানিক দশটার দিকে মৃত গনি মীর এর ওয়ারিশ গন ধান কাটতে নামলে মৃত আছমত আলী মীর এর ওয়ারিশরা বাঁধা দিলে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে গুরুতরসহ প্রায় দশ থেকে পনেরো জন আহত হয়েছে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়রামিলে সকলকে  সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে প্রেরণ করেন। 
সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস তথ্য সূত্রে জানাযায়, আদালতে ২১৪/২০১৯(বর)ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৪৪/১৪৫ ধারার বিধান মতে জমি দখল সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রেরন করা হয়। (২২.১২.২০১৯ তারিখের ৫৫২ নং স্মারকপত্র।) ১-১-২০১৯খ্রিঃ ২১৪/২০১৯নং এম.পি মোকদ্দমার প্রতিবেদন (মহোদয়ের কার্য্যলয়ের স্মারক নং-৮০০) এর সাথে একমত পোষণপূর্বক মহোদয় বরাবর পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত এসঙ্গে প্রেরন করা হয়েছে।
মোঃ রাছেল মীর বলেন, আমরা গত সোমবার সকালে ধান কাটতে নামলে মৃত আছমত আলি মীর এর পুত্র মোঃ মমিনদ্দিন মীর এর ছেলে- মেয়ে ও মেয়ের জামাই সহ প্রায় দশ বারোজনে আমাদের লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের উপর আঘাত করে।  এতে প্রায় আমাদের মধ্যে ৬জন আহত হয়েছে। আমরা বিগত দিন ধরে এই জমি ভোগ দখল করে আসছি। বিভিন্ন সালিশি বৈঠকে আমরা আমাদের পক্ষে রায় পেয়েছি। তারপরও কেন আমাদের উপরে ওরা নির্যাতন করল আমরা এটা সঠিক বিচার চাই। 
মোঃ মমিন উদ্দিন মীর বলেন, জমি শালিস বৈঠকে আমাদের পক্ষে রায় পেয়েছি। তারপরও তারা জোরপূর্বক দখল করে আসতেছে! সোমবার দিন মৃত গনি মীরের পুত্র মোঃ দেলোয়ার মীর(৫০), রাসেল মীর (৩৫), হানিফা(৪৫) মৃত জালাল মীর এর ছেলে মোঃ আনোয়ার (৫০), জাফর মীর (৪৫), জলিল (৩৬)। ধান কাটতে নামলে আমরা বাধাঁ দিলে আমাদের চোখে নুন ও মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে আমাদের উপরে লাঠিসোটা দিয়ে গুরুতর আঘাত করে গুরুতরও আহত করে। এবং আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের সবাইকে হয়রানি করতেছে। আমরা সঠিক বিচার চাই। এবং তারা টাকার জোর দেখিয়ে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসতেছে।  বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তারিকুল ইসলাম বলেন, খবর শুনে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের বরগুনা সদর হাসপাতালে নিয়ে এসেছে দুপক্ষেরই মামলা দায়ের ও একজনকে আটক করা হয়েছে বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas