1. kaiumkuakata@gmail.com : Ab kaium : Ab kaium
  2. akaskuakata@gmail.com : akas :
  3. mithukuakata@gmail.com : mithu :
  4. mizankuakata@gmail.com : mizan :
  5. habibullahkhanrabbi@gmail.com : rabbi :
  6. amaderkuakata.r@gmail.com : rumi sorif : rumi sorif
মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ-
প্রতিটি জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগাযোগঃ-০১৯১১১৪৫০৯১, ০১৭১২৭৪৫৬৭৪
শিরোনামঃ-
অন্যের স্ত্রী নগদ টাকা ও স্বর্নালঙ্কার চুরি; কলাপাড়ায় কথিত সাংবাদিকের নামে সমন জারি কলাপাড়া আন্ধার মানিক নদীর মোহনায় জলদস্যু জোংলা শাহালম বাহিনী কর্তৃক ট্রলার ডাকাতি, অপহরণ-১। বরগুনা পৌরবাসীর প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব নিলেন নানক কলাপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে সাংবাদিক প্রার্থীর জন্য সহকর্মীদের মতবিনিময় সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বীরাঙ্গনার বাড়ি ও জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ঐতিহাসিক মজিদবাড়িয়া শাহী জামে মসজিদ বিলুপ্তির পথে কলাপাড়ায় ১২ দিন ব্যাপী ল্যাংগুয়েজ টিচিং ট্রেনিং কোর্সের শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত ॥ কলাপাড়ায় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ ১৩০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করলো বেসরকারী সংস্থা গুড নেইবারস্ ॥ বিলুপ্তির পথে বসেছে ঐতিহাসিক মজিদবাড়িয়া শাহী জামে মসজিদ। অসহায় মানুষের বাসস্থানের ব্যবস্থা করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন-বিএসএএফ জয়পুরহাটে বিজিবি কর্তৃক পৃথক অভিযানে ভারতীয় মহিষ-২ টি এবং বিপুল পরিমানের মাদকদ্রব্য আটক।। চাপাইনবয়াবগঞ্জ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে ৩৬টি ঘর হস্তান্তর

একটি সরকারি ঘর পেলেই মাথা গুজার ঠাই পাবেন ৮০ বছরের বৃদ্ধা।

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৪৭ বার

ইমাম খাঁন হিমেল বিশেষ প্রতিনিধি।।

কলাপাড়ার মহিপুর ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড উত্তর মনসাতলী মোঃ চাঁন মিয়া হাওলাদার বয়স ৮০ পিতা মোঃ আব্দুল মজিদ হাওলাদার, স্ত্রী মোসাঃ আমেনা বয়স ৬৫, তিন মেয়ে মোসাঃ পিয়ারা, মোসাঃ কোহিনুর মোসাঃ গোলেনুর,সন্তানেরা সবাই বিবাহিত, স্বামী সন্তান নিয়ে আলাদা জীবন যাপন করছেন

ভাঙ্গা ঘরে ৩০ বছর যাবত মানবেতর জিবন যাপন করছেন তারা। মোসাঃ আমেনা বেগম বলেন, আমার বাহিরে কোন যায়গা জমি নেই স্বামী অসুস্থ আমার ঘর নেই এই বর্ষাতে খুব কষ্ট করেছি। এখন শীত শুরু হয়েছে শারারাত নিশিরের পানি টুকটুক করে গায়ে পড়ে কাঁথা গরম হয়না শারারাতে। এই ভাঙ্গা ঘরে অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে কোন রকম বেঁছে আছি এখন আর পাড়ছি না বয়স হয়ে গেছে আমাদের। আমার স্বামীর বয়স ৮০ বছর বিভিন্ন রোগে অক্রান্ত চিৎকিসার টাকা নেই। আমার স্বামী এখনো কাজ খুঁজে বেড়ায়,বয়স বেশি কাজ করতে পাড়েনা তাই কেউ কাজ দেয়না। আমি নিজেও কথা বলতে পাড়িনা খুব অসুস্থ আমাদের এখন সরকারী সহযোগীতা খুব ধরকার না খেয়ে থাকতে হয় আমাদের।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১ শতাংশ যায়গায় মধ্যো ছোট একটা দুইচালা ভাঙ্গা ঘরে বসবাস করে আসছেন, অামেনা বেগম উঠানোর কোণে ছাউনি ছারা একটা পাকেঁর ঘর দুটো মাঁটির চুলো দু,চারটা হাড়ি পাতিল ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে চারদিকে। ঘরের বিতারে ডুকলে দেখা যায় উপরের ছাউনির ফাঁক দেখে সূর্যের আলো এসে পড়েছে মেঝেতে এলোমেলো ঘর ছরিয়ে ছিটিয়ে আছে এদিকে ওদিকে দুটো থাল কিছু পাতিল রাখা আছে মেঝেতে। পাশেই ছোট একটা চৌকিঁ সেখানে লক্ষ্য করলে দেখা যায় দুটো বালিশ দুটো ছেরাঁ কাঁথা আশপাশে পূরানো বস্র হয়তবা বয়সের ভারেই এমন আগোছালো ঘর। খুঁজে দেখা যায় টুকটাক কিছু বাজার আছে হয়তবা চার পাঁচদিন খেতে পাড়বে এর পড়ে হয়ত শেষ হয়ে যাবে খাবার। জিবিকার তাগিদে দিনরাত ছুটে চলে মোঃ চাঁন মিয়া কিন্তু কাজ জোটেনা তার।

মোঃ চাঁন মিয়া বলেন,
একটা সরকারি ঘর আশা করছি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আমাকে একটা ঘর দরকার।

আপনার ফেইসবুকে শেয়ার করুন।

এরকম আরো খবর
© এই সাইটের কোন নিউজ/ অডিও/ভিডিও কপি করা দন্ডনিয় অপরাধ।
Created By Hafijur Rahman akas