সাভার যুবলীগের উজ্জল নক্ষত্র উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহাদাৎ খাঁন।

74

মোঃ শিফাত মাহমুদ ফাহিম,বিশেষ প্রতিনিধিঃ আশুলিয়ার উত্তর গাজীরচট এলাকার খান পরিবারের হাজী সৈয়দ খানের সুযোগ্য কৃতি সন্তান বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে রাজপথ কাঁপানো সাবেক মেধাবী ছাত্রলীগ নেতা,আশুলিয়া থানা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দুঃসময়ের সহ-যুদ্ধা,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার অনুসারী, সাভারের মাটি ও মানুষের নেতা মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমানের আস্থাভাজন সাভার ও আশুলিয়ার গণমানুষের নেতা শাহাদাত হোসেন খান তরুন উদিয়মান এক রাজনীতিবিদ।যিনি এই এলাকার গনমানুষের কাছে রাজনীতিতে এক উজ্জল নক্ষত্র ।

ছাত্র জীবন থেকেই এলাকার জনসেবায় তিনি গণমানুষের জন্য ছিলেন নিবেদিত প্রাণ। যার রক্তের সাথে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশ জড়িয়ে আছে। রাজনীতিতে রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে যিনি সাবেক বিএনপি সরকারের সময় মিথ্যা মামলা ও হামলার শিকার হয়ে বহু কষ্ট পেয়েছেন। আর্থিক ভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন । শাহাদাত হোসেন খান ১৯৯০ সালে ধামসোনা ছাত্রলীগের যুগ্ন- সাধারন সম্পাদক এর দ্বায়িত্ব পালন কালীন সময় স্বৈরাচারী আন্দোলনে এই এলাকায় রাজপথে মিটিং মিছিলসহ সকল দলীয় কর্মসুচীর অগ্রভাগে তার ভুমিকা ছিল সবচেয়ে বেশী।

১৯৯১সালে তাকে সাভার কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত করা হয়। এর পর থেকে সে সময়ের বিএনপি সরকারের রোষানলে পরে বহু মামলা হামলার শিকার হয়েও রাজপথে ছিলেন জননেত্রীর অতন্দ্র প্রহরীর মতো।তার রাজনৈতিক দুরদর্শিতা দেখে ১৯৯৬ সালে তাকে ধামসোনা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এসময় বিএনপি জোট সরকার ক্ষমতায় থাকলেও এলাকার জনগনের কাছে শাহাদাত খান ছিল জনপ্রিয় নেতা।এলাকার মানুষের দাবীর মুখে তিনি ধামসোনা ইউপির ৭ নং ওয়ার্ড থেকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পর থেকে তিনি জনকল্যাণে যে অবদান রেখেছেন পরবতীতে ইউপি নির্বাচনে তাকে আবার চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করে ১৯,৭৭০ ভোট পেয়ে ৪ জন হেভীওয়েট প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছিলেন।

এর পর থেকে যুবলীগের ঢাকা জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এর দ্বায়িত্ব সফল ভাবে পালন করার সময় তার কর্মি সমর্থকদের দাবীর মুখে আশুলিয়া থানা আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। দীর্ঘ সময় আশুলিয়া যুবলীগের দ্বায়িত্ব পালন কালীন সময় তিনি যে কর্মি তৈরী করেছেন তারা আশুলিয়া থানা এলাকায় শাহাদাত খান ছাড়া অন্য কাউকে যুবলীগের নেতা হিসাবে মানতে রাজি না।শাহাদাত খান যুবলীগের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন অন্য কেউ তার দ্বারে কাছেও যেতে পারবেনা বলে এলাকার সাধারন মানুষ দাবী করছে।তারা বলছে কিশোর বয়স থেকে শাহাদাত খান দলের জন্য ছিল নিবেদিত।

এই এলাকায় রাজনীতিতে তার সাথে অন্য কার তুলনা হয়না।তার রাজনৈতিক সফলতা ন্যায় নিষ্ঠাবান নীতি আর্দশ সততার জন্য গত উপজেলা নির্বাচনে সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ তাকে দলীয় প্রার্থী হিসাবে সমর্থণ দিয়েছেন। যার কারনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে মনোনয়ন দেন।পরবতী উপজেলা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হন।বর্তমানে ঢাকা ১৯ আসনের মাননীয় সংসদ দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমানের খুব কাছের ও আস্থাভাজন হিসাবে শাহাদাত হোসেন খান তার পাশে রয়েছেন। প্রতি মন্ত্রী মহোদয় যে কোন সফর সঙ্গী হিসাবে শাহাদাত খানকে নিয়ে যায়। এলাকাবাসীর সুখে দুঃখে সব সময় তাদের পাশে শাহাদাত খান কে পায়। এছাড়া এলাকার রাস্তাঘাট মসজিদ মাদ্রাসা এতিমখানা স্কুল কলেজে শাহাদাতখান তার উপার্জিত অর্থ থেকে দান করেছেন।এলাকার হতদরিদ্র অসহায় মানুষকে প্রতিদিন সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন।

আগের চেয়ে তার জনপ্রিয়তা দুগুণ হয়োয় যার কারনে একটি স্বার্থানাসি মহল তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য শাহাদাত খানের জনপ্রিয়তা নষ্ট করা ও সাধারন মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে মিথ্যা বানোয়াট উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য পায়তারা করছে।তাদের এধরনের মিথ্যা সংবাদে কেউ যেন বিভ্রান্তিতে না পরেন সে জন্য সাভার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহাদাত খান সকলের কাছে আহবান জানিয়েছেন। এদিকে আশুলিয়া থানা যুবলীগের জনপ্রিয় নেতা শাহাদাত খান এর বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।এনিয়ে সাধারন মানুষ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।তারা বলছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ একটি কুচক্র মহলকে ব্যবহার করে এসকল মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করছেন।এব্যাপারে শাহাদাত খানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি দীর্ঘ দিন থেকে বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক হিসাবে রাজপথে আছি। আমার নামে যে সকল মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে তার জবাব আমি আইনের মাধ্যমে দিবো।

তিনি আরো বলেন আমি সব সময় সৎ ভাবে ব্যবসা করে উপার্জন করছি । আমার সেই উপার্জিত অর্থ থেকে আমি দরিদ্র মানুষকে একটি অংশ দান করে দেই।আর আমার যে সম্পদ আছে সব সম্পদের হিসাব সরকারের ঘরে দেওয়া আছে প্রতি বছর আমি এই সম্পদের আয়কর দেই। এর বাহিরে আমার কোন সম্পদ নেই। কিন্তু মিথ্যাবাদীরা সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাকে হয়রানী করছে।এর পর যদি কোন সাংবাদিক ভাই সরেজমিনে যাচাই না করে ভুল তথ্য নিয়ে সংবাদ প্রচার করেন তার বিরুদ্ধে আমি অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা ও মানহানীর মামলা করতে বাধ্য হবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here