যৌতুক মামলার কোন বিচার পাচ্ছে না অসহায় আয়শা।

32

পটুয়াখালী প্রতিনিধি।। এক জননীর মা আয়শা আক্তার সুমী,মোঃ ইমন সিকদার,পিতাঃ ইউনুস সিকদার,সাং- রাজাবাড়িয়া,উপজেলাঃ নলছিটি,জেলা-ঝালকাঠী এর বিরুদ্ধে একটি যৌতুক মামলা করে যাহা যৌতুক নিরোধ আইনের (৪) এর ধারায়।মোকাম পটুয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে সিআর মামলা নং-৪৩১/২০১৬ ইং তারিখ।মামলার আসামি করা হয়,১. ইমন সিকদার(৩২), পিতাঃ ইউনুস সিকদার, ২.ইউনুস সিকদার (৫৫),পিতাঃ মৃত হাসেম সিকদার, ৩.হিমু বেগম (৫০), স্বামীঃ ইউনুস সিকদার উভয় সাং-রাজাবাড়িয়া।

ঘটনাটি ঘটেছে ভিকটিম আয়শার বাবার বাড়িতে অনুসন্ধানে জানাগেছে, আসামিরা সকলে একই পরিবারের সদস্য আয়শার বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূর উপরে অমানুষিক পাষবিক নির্যাতন চালিয়েছে।আয়শা ও ইমনের ঔরসে মাহিন নামের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।মা ও সন্তানের প্রতি কেন কর্তব্য পালন না করে দীর্ঘদিন বাবার বাড়ি ফেলে রেখে মানষিক নির্যাতনের এক পর্যায়ে সপরিবারে আয়শার বাবার বাড়িতে এসে ৩,০০০০০ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে সেখানে উপস্থিত পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন ও ছিলো।অতপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করার পরও স্বামীর সংসার ত্যাগ করেনি ভিকটিম।এবিষয়ে ২০১৬ সালে পটুয়াখালী কোর্টে যৌতুক নিরোধ আইনের ৪ ধারার মামলা করা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে।

গত ৪ বছর অতিবাহিত হলেও মামলার কোন রায় পায়নি অসহায় আয়শা ও তার সন্তান মাহিন।বর্তমানে আসামি ইমন সিকদার মামলা চলাকালীন দ্বিতীয় বিবাহ করিয়া দিব্যি সুখে শান্তিতে সংসার করে যাচ্ছে এই চার বছর ও তার আগে আরো ২ বছর ধরে মোট ৬ টি বছর একটি সন্তান নিয়ে অসহায় ও মানবেতর জীবনযাপন করছে আয়শা এমনকি আসামি ইমন কিংবা তার পরিবারের কোন সদস্য তাদের বংশের সন্তান মাহিন সিকদার ও আয়শার কোন রকম খোজ খবর বা ভরন পোষণ কিছুই দায়িত্ব পালন করেনি।বর্তমানে আয়শা আইনের দারে দারে বিচারের দাবিতে বুকফাটা কান্না নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে নস্ট হয়ে যাচ্ছে শিশু বাচ্চা মাহিনের ভবিষ্যৎ।

এই দুটি জীবনের কোন কুল হবে না আইনের মাধ্যমে নাকি অপরাধীরাই জিতে যাবে।এর জন্য কে দায়ী থাকবে তাহলে কি আয়শা আইনের কাট গোড়ায় বিচারের দাবি করতে গিয়ে নিজেই বড় আসামি?এই বিচার কার কাছে দেবে এক সাগর চোখের জ্বল আর বুকফাটা কান্নার সুরে কথাগুলো বললেন আয়শা।এমতাবস্থায় আইনের কাছে সে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here