মহিপুরে ভন্ড খলিলের স্ত্রী ও ছেলে কর্তৃক এক গৃহবধুকে বেধর মারধর

400

মোঃ মেহেদী হাচান সুমন, মহিপুর প্রতিনিধিঃ

মহিপুরের কমরপুর গ্রামে মাগরিবের নামাজের সময় ঝগড়া থামতে বলায় মায় পুত্রে মিলে পাশের বাড়ির মাছুমা বেগম (৩৫) কে বেধরক মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা গেছে, একওই গ্রামের খলিল ফরাজী ওরফে ভন্ড হুজুরের স্ত্রী কমলা বেগম (৩৫) অপর বাড়ির এক মহিলার সাথে তুমুল ঝগড়ায় মেতে ওঠে।

সে দিন ছিল রবিবার ১৬ জুন সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসছে মাগরিবের নামজ পড়তে যাবে মোঃ দুলাল মল্লিকের স্ত্রী মাছুমা বেগম। মাগরিবের আযানের সময়ও ঝগড়া করতে থাকে কমলা মাছুমা বেগম ওযু শেষ করে কমলাকে নামাজের সময় ঝগড়া থামতে বললে অন্য মহিলা কহিনুরকে রেখে মাছুমাকে মারধর শুরু করে এক পর্যায় কলার ছেলে সামসুল হকও দৌড়ে এসে কিল ঘুশি ও লাথি মারে মাছুমাকে। এতে মাছুমা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য স্বজনরা কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়। মাছুমার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক কলাপাড়া হাসপাতালে প্রেরণ করে। অসুস্থ মাছুমাকে মহিপুর সদর উনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আঃ মালেক আকন্দকে দেখায় এবং মহিপুর থানা পুলিশকে দেখিয়ে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মাছুমাকে ভন্ড খলিলের স্ত্রী ও সন্তানরা মিলে এ মারধর করেছে।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ভন্ড খলিল বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভুয়া ইন্সুরেন্স দেখিয়ে এলাকা বাসীর লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আবার কেউ কেউ বলছে ভন্ড খলিল ও তার বউ কমলা খুবই চতুর প্রকৃতির হাতে নাতে মিথ্যা কথা বলে অন্যকে ফাঁসিয়ে দেয়া তাদের নিত্য দিনের স্বভাব। মাছুমা সুস্থ হলেই তার স্বামী নিরিহ দুলাল মল্লিক মামলা করবেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত খলিল ফরাজীর কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলেতিনি বলেন তাদেরও ঘর দরজা ও জানালার উপর লাঠি দিয়ে পিটানো হয়েছে। ##

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here