কলাপাড়ায় ‘ফণী’র আঘাতে অফিস ও শ্রেণি কক্ষ বিধ্বস্ত দুর্ভোগে কয়েকশো শিক্ষার্থী

122

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া প্রতিনিধি ঃ

কলাপাড়ায় মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে আরামগঞ্জ আলীগঞ্জ দারুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষ অফিস ও মিলনায়তন বিশিষ্ট ভবনটি ঘুর্ণিঝড় ফণী‘র আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে আছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পাকা ভবনের অভাবে দীর্ঘ যুগ ধরে শ্রেণি কক্ষগুলো পাঠ দানে অনুপযোগী। তার ওপরে ফণীর তান্ডবে গুরুত্বপুর্ণ ভবনটি বিধ্বস্ত হওয়ায় এখন শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে চরম দুরাবস্থায় পড়েছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। বিপাকে পড়েছে ২৬৭ শিক্ষার্থী। ভবনের টিনের চাল উড়িয়ে অন্যত্র ফেলে দিয়েছে। ১৯৯০ সালে স্থাপিত মাদ্রাসাটি ওই এলাকার এমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাদরাসাটিতে মোট চারটি টিনশেড ভবন। একটি ভবন ঘুর্ণিঝড়ে দুমড়ে মুচড়ে গেছে আর বাকিগুলোর অবস্থা বেহাল।

সামান্য বৃষ্টিতে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে শিক্ষার্থীর বই-খাতা নষ্ট হয়ে পাঠ দানে ব্যাঘাত ঘটে। শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকে না। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাকা কোন ভবন নেই। প্র্রতিটি ভবন মাটির মেঝে আর টিনের বেড়া ও চাল। বৃষ্টি ও সামান্য বাতাসে শ্রেণি কক্ষে অবস্থান করার কোন পরিবেশ থাকে না। তাছাড়া ওই এলাকায় কোন সাইক্লোন সেন্টার নাই। তাই এলাকাবাসী ও মাদরাসার শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের আরামগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসাটি পাকা ভবন নির্মান করাই তাদের একমাত্র দাবি।

উল্লেখ্য যে, মাদরাসা প্রতিষ্ঠাকালিন থেকে প্রায় প্রতিবছর শতভাগ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়। ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সিয়াম জানায়, অল্প বৃষ্টিতেই টিন দিয়া পানি পড়ে। আবার একটু বাতাসে বাহিরে বৃষ্টি হলে ক্লাসের মধ্যে এসে পড়ে।

মাদরাসার সুপার মো: মুরশিদুল আলম বলেন, ঘুর্ণিঝড় ‘ফণী’র বাতাসে ভবনের চাল উপড়ে ফেলায় উপবৃত্তির কাগজ, হাজিরা খাতাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি উড়িয়ে নিয়ে গেছে এবং পানিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে। মাদ্রাসার পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে পাকা ভবন নির্মানের জন্য আবেদন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার ভবন পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত পাকা ভবন জোটেনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here