কলাপাড়ায় ‘ফনি’র তান্ডবে নিহত – ১

101

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া প্রতিনিধি ঃ

কলাপাড়ায় ঘর্নিঝড় ফণীর প্রভাবে পায়রা বন্দরসহ কুয়াকাটা ও গোটা উপকূলীয় এলাকায় শুক্রবার রাতে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্র-বৃষ্টিতে বিপুল সংখ্যক গাছ পালা ভেঙ্গে গেছে। ফণীর তান্ডবে কলাপাড়ায় সম্পুর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ৪৬টি ঘর। এছাড়া আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ৪৮৭ টি ঘর। বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের প¬ানিতে অন্তত ৩০০০ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে আছে। সিডরে লন্ডভন্ড বেরিবাঁধ, চারিপাড়াসহ সাতটি গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তির কবলে পড়েছে। তাঁদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মালামাল ভেসে গেছে জলোচ্ছ্বাসে। ঝড়ের সময় গাছের ডাল পড়ে ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের মনসাতলী গ্রামের হাবিব মুসল্ল¬ী (৩৭) গুরুতর জখম বরিশালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার মধ্যরাতে মারা গেছেন। শুক্রবার দুপুরে ভাড়াটে হোন্ডা চালক যাত্রী জাহাঙ্গীর সিকদার ও সূর্য বেগমকে নিয়ে যাওয়ার সময় মনষাতলী গ্রামে গাছের ডাল ভেঙ্গে তিনজন গুরুতর জখম হয়। তাদেরকে বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দেয়া তথ্যমতে, ১৫৫ টি আশ্রয় কেন্দ্রে অন্তত ২৫ হাজার ২০৩ মানুষ আশ্রয় নেয়। এছাড়া আরও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ কুয়াকাটার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলসহ বিভিন্ন নিরাপদ স্থাপনায় আশ্রয় নিয়েছিল। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঝলমলে রোদ রয়েছে। তবে দমকা হাওয়া বইছে থেমে থেমে। ভ্যাপসা গরম পড়ছে। বিদ্যূত সরববরাহ সচল হয়নি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র দেবনাথ জানান, উপজেলা প্রশাসন পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে দেড় হাজার পরিবারকে ১৫ কেজি করে চাল বিতরনের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যাহারা এখনও পর্যন্ত পাইনি তাদের চাল বিতরণ করা হবে বলে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে অধিকাংশ আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শণ করে শুকনো খাবারসহ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here