বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, কলাপাড়া:

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আশরাফুল ইসলাম ও থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক মো. সাখাওয়াত হোসেন কে স্বশরীরে আদালতে হাজির হয়ে কারন দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল (বুধবার) কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারক এএইচএম ইমরানুর রহমানের আদালত এ আদেশ প্রদান করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের মধ্য চালিতাবুনিয়া গ্রামের উজ্জ¦ল খান কলাপাড়া থানায় গত ২১ নভেম্বর ২০১৮ মো. সিরাজুল ইসলাম গং এর বিরুদ্ধে ফৌজদারী অপরাধের অভিযোগে (জিআর-৫২৫) মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্তি লাভ করেন কলাপাড়া থানার পুলিশ উপ- পরিদর্শক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা তার তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের বিচারের জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ একই জখমীর দুই রকমের মেডিকেল সনদ সহ তদন্ত প্রতিবেদন বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা তার তদন্ত প্রতিবেদনের সাথে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. কাজী মাজহারুল ইসলামের মেডিকেল সনদসহ কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আশরাফুল ইসলাম কর্তৃক সরবরাহকৃত একই জখমীর দুই রকম মেডিকেল সনদ সংযুক্ত করেন। বিষয়টি বুধবার আসামী পক্ষের বিজ্ঞ কৌশুলীর শুনানীতে আদালতের নজরে এলে বিজ্ঞ আদালত সন্তুষ্ট হয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কলাপাড়া থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক মো. সাখাওয়াত হোসেন ও জখমী জাকিয়া সুলতানার মেডিকেল সনদপত্র সরবরাহকারী মেডিকেল অফিসার ডা. আশরাফুল ইসলামকে স্বশরীরে আদালতে হাজির হয়ে কারন দর্শানোর এ আদেশ প্রদান করেন।
এদিকে এজাহারকারী উজ্জ¦ল খান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদনের তিন জন স্বাক্ষীর নাম বাদ দেয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতে একটি আবেদন করেন। বিজ্ঞ আদালত আগামী ৫ মে ২০১৯ মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here