‘দেবী’র দায়িত্ব এখন দর্শকের

777

বিনোদন ডেস্ক।।

জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী দুই বছরের জন্য টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান রবির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এই প্রতিষ্ঠানের আটটি বিজ্ঞাপনে তাকে দেখা যাবে। এরইমধ্যে চারটি বিজ্ঞাপনের কাজ শেষ হয়েছে। খুব শিগগির বাকি চারটির কাজ শেষ করবেন বলে জানান চঞ্চল। বিজ্ঞাপনগুলো নির্মাণ করছেন তানভির। আগামি মাসের প্রথম দিন থেকে এসব বিজ্ঞাপন প্রচারে আসবে। চঞ্চল চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভিন্ন ভিন্ন আটটি বিজ্ঞাপনে আটটি চরিত্রে আমাকে দেখা যাবে। এর আগে কখনো একসঙ্গে এতগুলো বিজ্ঞাপনে কাজ করিনি।
রোমাঞ্চ, হুমকি আর রহস্যতে ভরপুর এই বিজ্ঞাপনগুলো। প্রচারে এলে সবার ভালো লাগবে আশা করছি। এদিকে এই অভিনেতা ছোট পর্দার কাজের বাইরে এখন ব্যস্ত তার অভিনীত ‘দেবী’ ছবির প্রচার-প্রচারণা নিয়ে। এ ছবির টিম গতকাল ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছবিটির প্রচার-প্রচারণা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এখন ঢাকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ‘দেবী’র প্রচারণা চালাচ্ছি। ছবিটির মুক্তির ঠিক আগে এবং পরবর্তী সময়ে ঢাকার বাইরেও এটির প্রচার-প্রচারণা চালাবো। ‘দেবী’ নিয়ে চঞ্চল তার প্রত্যাশার কথাও বলেন। তার ভাষ্য, আমরা এই ছবির সংশ্লিষ্ট সবাই অনেক পরিশ্রম করেছি। আমাদের দায়িত্ব ছিল একটি ভালো ছবি নির্মাণের। এখন ‘দেবী’র দায়িত্ব দর্শকের। তারা যখন ছবিটি দেখবেন এবং অন্যকে দেখার জন্য উৎসাহ দেবেন তখন আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে। নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমাায়ূন আহমেদের মিসির আলীর চরিত্র নিয়ে লেখা প্রথম উপন্যাস ‘দেবী’ অবলম্বনে এ ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে। জয়া আহসানের প্রযোজনায় এটি পরিচালনা করেছেন অনম বিশ্বাস। এটিতে চঞ্চল থাকছেন মিসির আলীর চরিত্রে। রানু চরিত্রে দেখা যাবে জয়া আহসানকে। অন্যদিকে চলচ্চিত্রের এই সময়ে দুই মাসে ২০টি ছবির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে জানান চঞ্চল। অন্যরা যেখানে ছবির কাজ পাচ্ছেন না সেখানে তিনি ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এর কারণ কি? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, শুধু ২০টি ছবি কেন এর বেশি হলেও আমি করবো না। যদি সেটি দর্শকের দেখার মতো না হয়। দর্শকের কাছে খারাপ লাগবে এমন কাজ আমি করবো না। একটি ভালো ছবির জন্য সবকিছু কোয়ালিটিফুল হতে হবে। ছবির গল্প-পরিচালক সবকিছু যখন মনের মতো হবে তখনই নতুন ছবির কাজ শুরু করবো। বেশি কাজ করলে সেগুলোর মান থাকে না বলে আমি মনে করি। আমার কাজের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন বলে মনে করি না। আমি ভালো কাজ করতে চাই। এই অভিনেতা এখন বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক নাটকের কাজ করছেন। তার হাতে রয়েছে অনিমেষ আইচের ‘জোসনাময়ী’ ও মাসুদ সেজানের ‘ডুগডুগি’ এবং ‘খেলোয়াড়’ শিরোনামের ধারাবাহিকগুলো। অনিমেষ আইচের ‘জোসনাময়ী’ ধারাবাহিকটি নির্মাণ হচ্ছে নাগরিক টিভির জন্য। বর্তমানে এটির দ্বিতীয় লটের কাজ করছেন বলে জানান তিনি। এই সময়ে টিভি নাটকের অনেক তারকা ধারাবাহিক নাটকের প্রতি অনীহা প্রকাশ করেন। তাদের শুধু একক নাটক-টেলিছবিতেই দেখা যায়। এ বিষয়ে তিনি বলেন, একজন শিল্পীকে সব ধরনের ভালো কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে। তবে যারা ধারাবাহিক নাটকে অনীহা প্রকাশ করেন সেটি তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। তারা হয়তো ফ্রি থাকতে চান। কারণ, ধারাবাহিকে কাজ করলে সারা বছর ব্যস্ত থাকতে হয়। এ ছাড়া আমি মনে করি, ধারাবাহিকে কাজ করা কিছুটা কষ্টেরও। চরিত্রের প্রয়োজনে একজন শিল্পীকে সব সময় ফিজিক্যালি একই রকম থাকতে হচ্ছে যা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয় না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here